মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন খোয়াই নদীর ভাঙ্গা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন হুইপ ॥ বিএনপির রাজনীতি করে জনগণের জন্য-জি কে গউছ শায়েস্তাগঞ্জে পুকুরে শুঁটকি ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার হবিগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা ও আনসার কমান্ডার পরিচয়ে এক যুবকের প্রতারণা পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ নবীগঞ্জে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আউশে ফলন ভালো দামে সর্বনাশ ॥ ধান চাষে মুখ ফিরাচ্ছেন কৃষক সততা-স্বচ্ছতার সাথে মানুষের কাজ করে যাচ্ছি-সৈয়দ ফয়সল এমপি বাহুবলে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে সড়ক অবরোধ ॥ যান চলাচল বন্ধ হবিগঞ্জ পৌরসভার কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার সিলেট বিভাগের পরিচালক আশরাফুর রহমান উজ্জ্বলপুর বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট দুই কক্ষে ৫৭ শিক্ষার্থীর পাঠদান কার্যক্রম

বৈশাখী ঝড়ে ঘরহারা বিধবা পরিত্যক্ত স্কুলে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস

  • আপডেট টাইম সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
  • ৩৬ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ জীবনের কঠিন বাস্তবতায় একা সংগ্রাম করে যাচ্ছেন এক বৃদ্ধ বিধবা নারী। মাথার ওপর নেই নিরাপদ আশ্রয়-ভাঙা টিনের ছাউনি আর অনিশ্চয়তার ভয়ই এখন তার নিত্যসঙ্গী। নবীগঞ্জ পৌরসভার গয়াহরি গ্রামের বাসিন্দা স্বর্গীয় প্রবাস চন্দ্র রাউতের স্ত্রী শিপ্রা রাউত দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছেন প্রতিনিয়ত। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের এক ভয়াবহ বৈশাখী ঝড়ে তছনছ হয়ে যায় তার একমাত্র বসতঘর। ঝড়ের তাণ্ডবে মাটিতে মিশে যায় টিনের ঘরটি।
বর্তমানে তিনি আশ্রয় নিয়েছেন গয়াহরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত ভবনে, যা যে কোনো সময় ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। দুই যুগ আগে স্বামীকে হারানোর পর থেকেই সংগ্রাম বেড়ে যায় শিপ্রা রাউতের জীবনে। মেয়েকে বিয়ে দিলেও ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সেই মেয়ে দুই সন্তান নিয়ে আবার ফিরে আসে মায়ের কাছেই। ফলে বৃদ্ধা শিপ্রার কাঁধে এখন চার সদস্যের পরিবারের দায়ভার। স্বামীর রেখে যাওয়া মাত্র ৪ শতক জমির ওপর দাঁড়িয়ে ছিল তার ভাঙাচোরা ঘরটি। বৈশাখী ঝড়ে সেটিও নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ায় এখন খোলা আকাশের নিচেই তাদের বসবাস।
শিপ্রা রাউত বলেন, নতুন বছরের শুরুতেই আমার ঘরটি ভেঙে গেছে। এখন আমি আমার মেয়ে, নাতনী ও নাতিকে নিয়ে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বসবাস করছি। এখানে কোনো বিদ্যুৎ নেই, বৃষ্টি হলেই পানি পড়ে, এমনকি ঠিকমতো বাথরুম ব্যবহার করাও সম্ভব হয় না। আমরা মানবেতর জীবনযাপন করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আকুল আবেদন আমার একটি বসবাসযোগ্য ঘর নির্মাণে সহায়তা করুন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সরকার ও সমাজের বিত্তবানদের উচিত এই অসহায় নারীর পাশে দাঁড়ানো। একটি নিরাপদ ঘর নির্মাণ করে দিলে অন্তত তিনি স্বস্তিতে জীবনযাপন করতে পারবেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেন, বিষয়টি নজরে এসেছে এবং সংশ্লিষ্ট তহশিলদারকে সরেজমিনে পরিদর্শনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ঘর নির্মাণের বরাদ্দ না থাকলেও সাময়িকভাবে টিন দিয়ে সহায়তার চেষ্টা করা হবে বলে তিনি জানান।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com