বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

মাধবপুরে পৌরসভার ৩ কর্মকর্তা বিরুদ্ধে তহবিল থেকে টাকা তুলে নেয়ার অভিযোগ তদন্ত চলছে

  • আপডেট টাইম শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১২৯ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মাধবপুর পৌরসভার ৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিয়ম ভেঙে আনুতোষিক তহবিলের প্রায় ১০ লাখ টাকা তুলে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
অভিযোগে যাদের নাম এসেছে তারা হলেন, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা এম আমিনুল ইসলাম, হিসাবরক্ষক হীরেন্দ্র চন্দ্র পাল ও উচ্চমান সহকারী রনি চন্দ্র বণিক।
পৌরসভার ২৯ কর্মকর্তা-কর্মচারী স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ৩ কর্মকর্তা অনুমোদন ছাড়া মাধবপুর পৌরসভার আনুতোষিক তহবিল থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা তুলে নিয়েছেন। নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম তোলেন ৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, হিসাব রক্ষক হীরেন্দ্র পাল ৩ লাখ ৭৪ হাজার টাকা, এবং রনি বণিক ১ লাখ ৮২ হাজার টাকা। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভার বিভিন্ন তহবিলে অনিয়ম চলছে। কিন্তু কেউ কিছু বললে তাকে প্রশাসনিকভাবে হয়রানী করা হয়।
পৌর টিকাদান সুপারভাইজার পল্লবী বণিক বলেন, আমরা মাসের পর মাস বেতনের জন্য অপেক্ষা করি। অথচ কর্মকর্তারা নিজেরা নিয়ম ভেঙে টাকা তুলে নিচ্ছেন। অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাইনি।
বিষয়টি জানতে চাইলে নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, এটাকে আত্মসাৎ বলা যাবে না। আমরা আমাদের প্রাপ্য নিয়েছি। ইউএনও স্যার বিষয়টি দেখছেন। সাবেক মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক বিষয়টি অবগত আছেন। ঋন হিসেবে আমরা টাকা নিয়েছি। মাসে মাসে ১০ হাজার করে ফেরত দিচ্ছি।
সাবেক মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক বলেন, জন প্রতিনিধি না থাকায় পৌর তহবিলের ওপর কোনো নজরদারি নেই। পৌরসভা তহবিলে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা রেখে এসেছিলাম। ৩জন যে পরিমাণ টাকা নিয়েছে এতে আমার কোন অনুমোদন ছিল না। তিনি বলেন, আমি মেয়র থাকাকালীন সময় প্রতিটি খাতের হিসাব মাসিক সভায় পর্যালোচনা করা হতো। এক টাকাও অনুমোদন ছাড়া খরচ করা যেত না। এখন আর সেই নিয়ম নেই। যে যার মতো করে অর্থ তোলা, ব্যয় দেখানো ও হিসাব গোপন করছে। ফলে পৌরসভার উন্নয়ন স্থবির হয়ে পড়েছে।
মাধবপুর পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা বিনয় রায় বলেন, আনুতোষিক তহবিলের টাকা তোলার কোন নিয়ম নেই। অবসরে গেলে পৌরসভা এ টাকা দিতে বাধ্য। কিন্তু তারা নিয়ম ভেঙ্গে টাকা তুলে নিয়ে গেছে। আমরা জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করেছি।
এ বিষয়ে মাধবপুর পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ বিন কাশেম বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন। ঘটনাটি জানার পর থেকে পৌর তহবিল বন্ধ রেখেছি। তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com