মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের উপর ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ॥ আতঙ্কে এলাকাবাসী নবীগঞ্জে অধ্যক্ষ হুমায়ুনকে শোকজ টিউশন ফি নিয়ে টালবাহানা, সরকারি নির্দেশনা অমান্যসহ বিস্তর অভিযোগ হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান ইঞ্জিনিয়ার ফনি ভুষন দাশ আর নেই নবীগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নবীগঞ্জে বসতঘর থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হবিগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো “গানে গানে জুলাই” শীর্ষক সংগীতানুষ্ঠান বাহুবলে মাছের খামারে মুরগির বিষ্ঠা ব্যবহার ॥ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল নেতা রিংগনকে হুমকিদাতা মানসিকভাবে অসুস্থ-পুলিশ র‌্যাবের অভিযানে অপহরণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার ॥ স্কুলছাত্রী উদ্ধার

মাধবপুরে নোয়াপাড়া চা বাগান শ্রমিকদের ৪ দিনের কর্মবিরতি

  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৩৩১ বা পড়া হয়েছে

মাধবপুর প্রতিনিধি ॥ সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী মোর্শেদ খানের মালিকানাধিন নোয়াপাড়া চা বাগান এখন নানা সংকটে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল সময় মত পরিশোধ করতে না পারায় বাগানের কারখানার গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া হয়েছে প্রায় ১০ মাস আগে। এখন কারখানায় চা পাতা তৈরি করা যাচ্ছেনা। এর প্রভাব পড়েছে শ্রমিকদের মজুরি, রেশন, চিকিৎসা, উৎসব ভাতা এবং ঘরবাড়ি নির্মাণের উপর। এ অবস্থায় এসব দাবি আদায়ে গত ৪ দিন ধরে নোয়াপাড়া চা বাগানে কর্মবিরতি চলছে।
বাগান সভাপতি কমেড নায়েক জানান, গত দুর্গাপূজার বোনাসের টাকা এখনো পরিশোধ করা হয়নি। গত ৩ সপ্তাহ ধরে শ্রমিকদের সাপ্তাহিক মজুরি তলব পরিশোধ করা হচ্ছেনা। অনেক শ্রমিক পরিবার কাজ করে মজুরি তলব না পেয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। চা বাগানের হাসপাতালে এখন কোন ডাক্তার ও ঔষধ নেই। বাগানের শ্রমিকরা এখন কোন চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেনা। বিনা চিকিৎসায় শ্রমিকদের দিন কাটছে। শ্রমিকদের থাকার ঘর বসবাস করার মত নয়। বৃষ্টিতে শ্রমিকের ঘর ভিজে যাচ্ছে। মালিক পক্ষ গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রাখায় কারখানার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। যার কারনে এখন বাগানের কারখানা পুরোপুরি বন্ধ। বাগানের উৎপাদিত কাঁচা চা পাতা সস্তা দামে অন্য বাগানে বিক্রি হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, নোয়াপাড়া চা বাগানের ইতিহাসে এমন ঘটনা আগে ঘটেনি। কারখানা চালু করতে না পারলে বাগান দিন ধ্বংশের দিকে দিকে যাবে। এতে বাগানের কয়েক হাজার শ্রমিক পরিবার কর্মহীন হয়ে পড়বে।
সেক্রেটারি মনি বাউরি বলেন, বাগানে এক বছর নানা সংকট চলছে। শ্রমিকরা কাজ করে এখন হাজিরা ১৭০ টাকা সাপ্তাহিক রেশন পাচ্ছেনা। বোনাস ও বিগত দিনের অন্যান্য বকেয়া পাওনা পরিশোধ করছেনা। কারখানা চালু না হলে এ সমস্যা আরো প্রকট আকার ধারন করবে।
নোয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ আতাউল মোস্তফা সোহেল বলেন, নোয়াপাড়া চা বাগান আর্থিক সংকটে পড়েছে। কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে কাজ যোগ দিতে শ্রমিকদের অনুরোধ করেছি।
বাগানের ব্যবস্থাপক ফখরুল ইসলাম ফরিদী বলেন, নোয়াপাড়া চা বাগানে দীর্ঘদিন ধরে সরকার ব্যাংক ঋণ বন্ধ রেখেছে। সরকার আমাদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে। এতদিন অনেক কষ্ট করে শ্রমিক মজুরি সহ অন্যান্য পাওনা পরিশোধ করা যাচ্ছে না। এখন শ্রমিকরা কর্মবিরতি বাদ দিয়ে সোমবার দুপুরে কাজে যোগ দিয়েছে।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com