মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শহরে চাঁদের হাসি হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ॥ গোলাম মোস্তফা রফিক’র মৃত্যু ॥ তদন্ত কমিটি গঠন ॥ আজ মঙ্গলবার ২টায় কেন্দ্রীয় ইদগাহে জানাযা ॥ বিভিন্ন মহলের শোক ১৮২ কোটি টাকার উন্নয়ন গ্রকল্প গ্রহণ হবিগঞ্জে হুইপ জি কে গউছের উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে পৌরসভা ও ৩ উপজেলা বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হুইপ জি কে গউছের শোক প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে চা শ্রমিকদের মাঝে ঘরের চাবি প্রদান করেন এমপি ফয়সল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু-কিশোরদের নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে কৃষি কাজের ট্রাক্টরে বডি সংযোজন করে বালু-মাটি পরিবহন বাহুবলে মুজতবা আলী স্মৃতি পরিষদের ‘মুজতবাচরিত’ প্রকাশনা উৎসব রেমা-কালেঙ্গায় বন বিভাগের অভিযান ॥ মুলি বাঁশ জব্দ বানিয়াচং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন

জুমার খুৎবায় সৈয়দ আজহার আহমাদ সুদ-ঘুষ নাফরমানীর কারণে অতি রোদ অতি বৃষ্টির মতো গজব নাজিল হচ্ছে

  • আপডেট টাইম শনিবার, ১৮ মে, ২০২৪
  • ২১৪ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ পৌরসভা জামে মসজিদে জুমার খুৎবায় মাওলানা সৈয়দ আজহার আহমাদ এবাদ বলেছেন- আমাদের সমাজ সুদখোরে ভরে গেছে, ঘুষখোরে ভরে গেছে, নাফরমানী বেড়ে গেছে, ফলে রহমতের বৃষ্টি না হয়ে গজবের বৃষ্টি হচ্ছে, বৃষ্টির সাথে আকাশ থেকে পাথর নিক্ষেপ হচ্ছে, অতি রোদ, অতি খরা হচ্ছে। এসব হল আমাদের পাপের ফল।
তিনি বলেন- কবরস্থানে গেলে মৃত্যুর কথা স্মরণ হয়, মসজিদে গেলে নিজের পাপের কথা স্মরণ হয়, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করলে কলব পরিষ্কার হয়, চোখের জ্যোতি বাড়ে। আমাদের বেশি বেশি কবরের কাছে যাওয়া উচিৎ, বেশি বেশি মসজিদে যাওয়া উচিৎ, বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করা উচিৎ অথচ আমরা কবর জিয়ারত করতে যাই না, মসজিদে যাইনা, কোরআন তেলাওয়াতও করি না। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেন- আজকে শুক্রবার দিন ফজরের নামাজের সময় মাত্র একজন মুসল্লী মসজিদে এসেছেন। এতোবড় এলাকা, কত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মসজিদে মুসল্লী নাই কেন? এই যে আপনি ফজরের নামাজ পড়লেন না, আশি বছরেরও বেশি সময় দোযখে পুড়ার প্রস্তুতি নিয়ে কবরে যাইয়েন।
মাওলানা আজহার বলেন- বিদআত হচ্ছে দুই প্রকার, ভাল বিদআত বা ভাল নতুন আবিষ্কার তা গ্রহন করতে হবে, এক ধরনের বিদআত আছে যা খারাপ, তা বর্জন করতে হবে। আল্লাহ পাক রাসুল (সাঃ) কে কাওসার দান করেছেন। কিয়ামতের দিন তিনি কাওসারের পাশাপাশি থাকবেন, যিনি একবার কাওসার পান করবেন তার আর তৃষ্ণা লাগবে না। কিন্তু রাসুল (সাঃ) এর সুপারিশ ছাড়া কেউ কাওসার পান করতে পারবে না। রাসুল (সাঃ) এর প্রিয় উম্মতরাই কাওসার পান করার অনুমতি পাবেন। আল্লাহ হচ্ছেন রাব্বুল আল আমিন, সারা দুনিয়ার রব, কিন্তু কিয়ামেতর দিন আল্লাহর নাম হবে কাহ্হার। যার কোনো দয়ামায়া থাকবে না। রাসুল (সা) রাহমাতুল্লিল আল আমিন, সারা পৃথিবীর জন্য রহমত স্বরুপ। কিয়ামতের দিন সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষ হবে যারা রাসুল (সাঃ) সুন্নতের পরিবর্তন করেছে তারা। রাসুল (সাঃ) এর সুন্নত নয় অথচ দুনিয়ায় তারা প্রচার করছে ওইটা সুন্নত। তাদের অনেকে ঘন্টার নিচে কাপড় পড়বে, আবার মাথায় পাগড়িও বাধবে। তারা আকৃতিতে মানুষ, অথচ আচরণে তারা শয়তান। মাওলানা আজহার আহমাদ এবাদ সকলকে ইসলামের মূল নীতিগুলো পালন করার আহবান জানান।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com