মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের উপর ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ॥ আতঙ্কে এলাকাবাসী নবীগঞ্জে অধ্যক্ষ হুমায়ুনকে শোকজ টিউশন ফি নিয়ে টালবাহানা, সরকারি নির্দেশনা অমান্যসহ বিস্তর অভিযোগ হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান ইঞ্জিনিয়ার ফনি ভুষন দাশ আর নেই নবীগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নবীগঞ্জে বসতঘর থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হবিগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো “গানে গানে জুলাই” শীর্ষক সংগীতানুষ্ঠান বাহুবলে মাছের খামারে মুরগির বিষ্ঠা ব্যবহার ॥ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল নেতা রিংগনকে হুমকিদাতা মানসিকভাবে অসুস্থ-পুলিশ র‌্যাবের অভিযানে অপহরণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার ॥ স্কুলছাত্রী উদ্ধার

হবিগঞ্জে দুই সন্তানের জননীকে হত্যার অভিযোগ ॥ তড়িগড়ি করে দাফনের চেষ্টা

  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২
  • ৩৪৪ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ শহরের নাতিরপুরে কুলসুমা বেগম (৩০) নামের দুই সন্তানের জননীকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কাউকে না জানিয়ে লাশ দাফনের চেষ্টা করার সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
মৃত কুলসুমার মা জানান, ১০ বছর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সুলতানপুর গ্রামের রহমান মিয়ার কন্যা কুলসুমাকে বিয়ে দেয়া হয় নাতিরপুর এলাকার মৃত খুর্শেদ আলীর পুত্র আয়াত আলীর নিকট। তাদের একটি পুত্র ও একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। গরিব বাবা-মা যৌতুক হিসেবে আয়াতা আলীকে ১ লক্ষ টাকা দেন। সে ওই টাকা দিয়ে ব্যবসা করে সংসার চালাতো। তিনি সকালে খবর পান তার কন্যা আত্মহত্যা করেছে। এতে তার সন্দেহ সৃষ্টি হলে তিনি হবিগঞ্জ আসেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন জামাই ও শশুর বাড়ির লোকজন তার কন্যাকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।
জানা যায়, সোমবার ভোরে কুসুম বেগমের মৃতদেহ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে তার স্বামী আয়াত আলী ও স্বজনরা। এক পর্যায়ে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করলে বিষয়টি গোপন রেখে লাশ বাড়ি নিয়ে যায়। পরে তড়িগড়ি করে নাতিরপুর পুরাতন রেল লাইনের ওপর দুপুরের দিকে ত্রি-পাল টানিয়ে লাশটি দাফনের চেষ্টা চালানো হয়। আশেপাশের লোকজন বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ৯৯৯ কল দিলে সদর থানার ওসি পুলিশ পাঠিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। শুধু তাই নয় সদর হাসপাতাল থেকেও কুলসুমা বেগম মারা গেছে মর্মে থানায় চিঠি দেয়া হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাফরোজা আক্তার শিমুল, ওসি (তদন্ত) দৌস মোহাম্মদ, চৌধুরী বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুর্শেদ আলম ও ডিএসবির কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে যান। পুলিশ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে মর্গে প্রেরণ করে। তারা আশপাশের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনা¯’লে যাই। স্বামী ও শশুর বাড়ির লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের ওপর নজর রাখা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com