মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের উপর ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ॥ আতঙ্কে এলাকাবাসী নবীগঞ্জে অধ্যক্ষ হুমায়ুনকে শোকজ টিউশন ফি নিয়ে টালবাহানা, সরকারি নির্দেশনা অমান্যসহ বিস্তর অভিযোগ হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান ইঞ্জিনিয়ার ফনি ভুষন দাশ আর নেই নবীগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নবীগঞ্জে বসতঘর থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হবিগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো “গানে গানে জুলাই” শীর্ষক সংগীতানুষ্ঠান বাহুবলে মাছের খামারে মুরগির বিষ্ঠা ব্যবহার ॥ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল নেতা রিংগনকে হুমকিদাতা মানসিকভাবে অসুস্থ-পুলিশ র‌্যাবের অভিযানে অপহরণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার ॥ স্কুলছাত্রী উদ্ধার

শহরে ‘সিহাব রেস্ট হাউজে’ মৃত্যুর ৫ মাস পর রহস্য উদঘাটন

  • আপডেট টাইম বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৫১০ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ শহরের সিনেমা হল রোডে ‘সিহাব রেস্ট হাউজে’ আলমগীর মিয়া (৩০) এর মৃত্যুর রহস্য ৫ মাস পর উদঘাটন হয়েছে। তার দ্বিতীয় স্ত্রী তানিয়া আক্তার আদালতে ১৬৪ ধারার জবানবন্দি দিলে এ রহস্য উদঘাটন হয়। গত ৩০ নভেম্বর সোমবার বিকেলে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। জবানবন্দির বরাত দিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম গতকাল রাতে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি বলেন, গত ২৩ জুলাই রাতে ওই হোটেলের ৩য় তলার ৩০১নং রোমে মদের বোতলে বিষ মিশিয়ে আলমগীরকে খাওয়ানো হয়। এর আগে রাতে ওই হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে অবস্থান করেন। এক পর্যায়ে ২৪ জুলাই সকালে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৌসুমি ভদ্র তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত আলমগীর মিয়া শহরের সুলতান মাহমুদপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে ও জেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিসের স্টাম্প ভেন্ডার।
যে কারণে আলমগীরকে হত্যা করে তানিয়া ঃ ভালোবেসে এফিডেভিট করে দু’জন বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়। কিন্তু তানিয়াকে স্ত্রীর মর্যাদা না দেয়ায় আলমগীরের প্রতি ক্ষুব্দ হয় তানিয়া। এক পর্যায়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী কৌশলে তাকে নিয়ে ওই হোটেলে অবস্থান করে। রাতে দুইজন শারীরিক মিলনে লিপ্ত হবার আগে তানিয়া কৌশলে আলমগীরকে মদ খাওয়ায়। ওই মদের বোতলে সে বিষ মিশিয়ে দেয়। আর এই বিষপান করে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে আলমগীর। হাসপাতাল থেকে সদর থানার ওসি তানিয়াকে আটক করে কোর্টে প্রেরণ করেন।
অপরদিকে আলমগীরের পিতার সন্দেহ হয় তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ বিষয়ে আলমগীরের পিতা হাজী আব্দুর রহিম বাদি হয়ে তানিয়াকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তানিয়াকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রাথমিকভাবে সে হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পুলিশ তদন্তকালে জানতে পারে ইতোপূর্বে তানিয়ার অন্যত্র বিয়ে হয়েছিল। তার দুইটি সন্তান আছে। ওই স্বামীকে তালাক দিয়ে আলমগীরকে বিয়ে করে। তানিয়া বানিয়াচং উপজেলার ইকরাম গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে সে কারাগারে আছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com