বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বানিয়াচংয়ে ৯ ছাত্র-জনতা হত্যা মামলা ॥ ২ বছরেও শুরু হয়নি বিচার শহীদ পরিবারে তীব্র ক্ষোভ দেউন্দি-রঘুনন্দন বনাঞ্চলের গাছ কেটে সাবাড় ॥ হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য আজ “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস” এই আন্দোলনে হবিগঞ্জ জেলায় ১২ ছাত্র-জনতা ও পুলিশ প্রাণ হারান মাধবপুরে লোডশেডিং বিপর্যস্ত জনজীবন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম হবিগঞ্জ জেলা শাখার নয়া কমিটি বানিয়াচঙ্গে শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় ডা. জীবন ॥ আজকের কৃতিরাই আগামী দিনের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের কারিগর হবিগঞ্জ সোসাইটি ইউ.কে এর উদ্যোগে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ ও বস্ত্র বিতরণ ইংল্যান্ড আলাল মহসিনের চুরি যাওয়া ২টি আইফোন ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেপ্তার তেতৈয়ায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে লাশ হলো শিশু

আজমিরীগঞ্জে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ছে

  • আপডেট টাইম শনিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৭২০ বা পড়া হয়েছে

আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ আজমিরীগঞ্জ বাজার সহ উপজেলার প্রায় বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম প্রতি কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। এতে সাধারণ মানুষ ক্রয় করতে হিমশিম খাচ্ছে। সরজমিনে আজমিরীগঞ্জ বাজারের বিভিন্ন মুদি দোকানের ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, বিভিন্ন পন্যের দাম বেড়েছে। খোলা বাজারের সোয়াবিন সহ বিভিন্ন তৈল, ডাল, পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ, হলুদ, চিনি সহ প্রায় প্রত্যেক পন্যে। এতে করে প্রতি কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজিতে বেশি রাখছেন ব্যবসায়ীরা। যা সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে চলে যাচ্ছে। হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষজন। গত কয়েক দিন ধরে বাজারের ব্যবসায়ীরা দাম বেশি নিচ্ছে কারন জানতে চাইলে তারা জানান ইরানে যুদ্ধ লাগার কারনে জিনিসের দাম একটু বেশি বেড়েছে পাইকারী বাজারে। তাই আমরাও বেশি দামে বিক্রি করছি। আবার কয়েজজন খুচরা ব্যবসায়ী জানান, আজমিরীগঞ্জ বাজারে কয়েকজন পাইকারী বড় ব্যবসায়ী আছেন তাদের দোকান থেকে বিকাশ মোদক, আলমগীর মিয়া, সামচু মিয়া, হরিপদ রায়, অর্জুন রায়, সমর রায়ের দোকান থেকেই পাইকারী দরে উপজেলা সহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন বাজারের মুদি ব্যবসায়ীরা মালামাল ক্রয় করে থাকেন। তারা যে দামে মালের মূল্য দরে দেন আমাদের সেই দামেই বিক্রি করতে হয়। ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, খোলা সোয়াবিন তেল ১ কেজিতে ৩০ টাকা বেশি রাখছে, রসুন ও পেয়াজ প্রায় ২০০ টাকা কেজি। সারাদিন কাজ করে রোজ পাই ৩০০ থেকে সাড়ে তিনশ টাকা। বড় ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে জিনিসের দাম বাড়ায়। এ সব প্রশাসন দেখেও না দেখার বান করছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাঈমা খন্দকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, দ্রব্য মূলের দাম বেড়েছে বলে শোনিনি। কেন দাম বেশি রাখবে। বিষয়টি খোজ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com