বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

বানিয়াচংয়ে মিনারা হত্যাকাণ্ড মামলার ২৯ আসামি কারাগারে

  • আপডেট টাইম বুধবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৮
  • ৬৪৮ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বানিয়াচংয়ের কাটখাল গ্রামে মিনারা (৩৫) হত্যা মামলার ২৯ আসামীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানী শেষে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম শাহিনুর আক্তার আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আসামিরা হলেন-সমছু মিয়া, ছল্লুক মিয়া, আব্দুর রহমান, হাবিবুর রহমান, আমির উদ্দিন, শাহজাহান মিয়া, আব্দুল আহাদ, আলী আজম, মোহাম্মদ আলী, মোস্তাকিম আহম্মেদ, সোহাগ মিয়া, শহীদ মিয়া, বিল্লাল মিয়া, ইমরান মিয়া, আব্দাল মিয়া, আব্দুল মজিদ, এখলাছ মিয়া, সোহান মিয়া, কামাল মিয়া, মিজানুর রহমান, শানু মিয়া, শরাফত উল্লা, আহাম্মদ আলী, শিশু মিয়া, সাকিব মিয়া, পত্রিঙ্গা বিবি, সুমতা বিবি, রফিকুন্নেছাসহ ২৯ জন।
প্রসঙ্গত, কাটখাল গ্রামের পাতনী বাড়ি ও চৌকিদার বাড়ির লোকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে একাধিকবার সংঘর্ষ হয়েছে। উভয়পক্ষের মধ্যে কয়েকটি মামলাও চলমান রয়েছে। তবে আব্দুস শহীদের নেতৃত্বাধীন পাতনী বাড়ি ও চৌকিদার বাড়ির পক্ষে ১১টি গোষ্ঠীর লোক থাকায় এলাকায় তাদের আধিপত্য বেশি। চলতি বছরের ২৯ অক্টোবর সকালে পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ গিয়ে শান্ত করে। পরবর্তীতে বিকেলে ১১ গোষ্ঠীর লোকজন এসে কাছুম আলীর বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় মিনারা খাতুনের বুকের ডানদিকে একটি টেটা বিঁধে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠান। টেটার আঘাত মিনারার হৃদযন্ত্রে স্পর্শ করায় তাকে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মিনারাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মিনারার স্বজনরা জানান, তার চার ছেলে এবং দুই মেয়ে রয়েছে। তিনি কোনো ধরনের বিরোধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তারপরও তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com