বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

দুই কোরিয়াকে এক করবেন মুন জায়ে ইন!

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ১১ মে, ২০১৭
  • ৪৮৯ বা পড়া হয়েছে

এক্সপ্রেস ডেস্ক ॥ সদ্য শেষ হওয়া নির্বাচনে দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষ একজন সৎ প্রেসিডেন্টকে নির্বাচিত করতে চেয়েছিলেন। সে অনুযায়ী, দেশটির নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন শুধু সৎ নন, একজন নিপাট ভদ্রলোকও। তাই তাকে নিয়ে স্বপ্নের জাল বুনতে শুরু করেছে কোরিয়ানরা। বুধবার রাজধানী সিউলের পার্লামেন্ট ভবনে দেশটির ১৯তম প্রেসিডেন্ট হিসাবে তিনি শপথ গ্রহণ করেছেন। শপথের পরই তিনি শান্তি এবং ঐক্যের বার্তা দেন। শুধু তাই নয়, পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্টদের পথ অনুসরণ না করে দুই কোরিয়ার ঐক্য নিয়েও ভাবছেন তিনি। তবে সবার আগে নিজ দেশে আভ্যন্তরীণ ঐক্য স্থাপনই তার লক্ষ্য। এছাড়া চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও বিতর্কিত ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করতেও তার প্রস্তুতি রয়েছে।
শপথ নেওয়ার আগে বুধবার সকাল থেকে দায়িত্ব পালন শুরু করেন প্রেসিডেন্ট মুন। সাবেক প্রেসিডেন্ট পার্ক গিউন হাইয়ের অভিসংশনের পর তৈরি হওয়া নেতৃত্বের শূন্যস্থান পূরণ করতেই তিনি দ্রুত কাজ শুরু করেছেন। পার্কের দুর্নীতি কেলেঙ্কারির ধাক্কা পুরোপুরি কাটিয়ে দেশের ভঙ্গুরপ্রায় অর্থনীতিকে আবার দাঁড় করানোর অঙ্গীকার করেছেন মুন।
৬৪ বছর বয়সী মানবাধিকার বিষয়ক আইনজীবী এবং মধ্য-বাম ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী মুন তার উদারনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গীর জন্য সুপরিচিত। নির্বাচনে বিজয়ের পর বিভক্ত উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়াকে আবার একত্রিত করার ওয়াদা এবং উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উনের সঙ্গে সাক্ষাত করার আগ্রহ দেখিয়েছেন। অনেকে বলছে এর নেপথ্যে আসলে অন্য কারণ। তারা বলছে, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে মুনের নাড়ির সম্পর্ক। তার বাবা একদিন শরণার্থী হয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় এসেছিলেন। আর এ কারণেই হয়তো দেশটির চলমান পররাষ্ট্রনীতি থেকে সরে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে চাইছেন তিনি।
উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বিরাজমান তীব্র উত্তেজনা ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেই দক্ষিণ কোরিয়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনের আগে উত্তর কোরিয়া মুনকে তাদের পছন্দের প্রার্থী বললেও তার জয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। যদিও দক্ষিণ কোরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশ যুক্তরাষ্ট্র নতুন প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানিয়েছে।
কোরিয়ান উপদ্বীপে প্রচন্ড উত্তেজনাকর ও যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেও মুন আসলে একজন শান্তিকামী। যুদ্ধকে তিনি বরাবরই এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। যদিও সামরিক প্রশিক্ষণ নেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। তবে, এই অভিজ্ঞতা মূলত রাষ্ট্রীয় চাপে পড়েই।
জানা গেছে, উত্তর কোরিয় শরণার্থী পরিবারের ছেলে মুন ১৯৭০ এর দশকে ছাত্রাবস্থায় পার্কের বাবা এবং তৎকালীন সামরিক শাসক পার্ক চুং-হি’র বিরুদ্ধে বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিয়ে জেলে যান এবং শাস্তি হিসেবে সামরিক প্রশিক্ষণ নিতে বাধ্য হন। নিউইয়র্ক টাইমস, বিবিসি

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com