মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শহরে চাঁদের হাসি হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ॥ গোলাম মোস্তফা রফিক’র মৃত্যু ॥ তদন্ত কমিটি গঠন ॥ আজ মঙ্গলবার ২টায় কেন্দ্রীয় ইদগাহে জানাযা ॥ বিভিন্ন মহলের শোক ১৮২ কোটি টাকার উন্নয়ন গ্রকল্প গ্রহণ হবিগঞ্জে হুইপ জি কে গউছের উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে পৌরসভা ও ৩ উপজেলা বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হুইপ জি কে গউছের শোক প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে চা শ্রমিকদের মাঝে ঘরের চাবি প্রদান করেন এমপি ফয়সল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু-কিশোরদের নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে কৃষি কাজের ট্রাক্টরে বডি সংযোজন করে বালু-মাটি পরিবহন বাহুবলে মুজতবা আলী স্মৃতি পরিষদের ‘মুজতবাচরিত’ প্রকাশনা উৎসব রেমা-কালেঙ্গায় বন বিভাগের অভিযান ॥ মুলি বাঁশ জব্দ বানিয়াচং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন

হবিগঞ্জে বিচারকের চিকিৎসা নিয়ে সৃষ্ট ঘটনা \ গভীর রাতে নিস্পত্তি হলেও প্রত্যাহার হয়নি মামলা

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ১০ মার্চ, ২০১৬
  • ৬৭২ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার \ হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাফরোজা পারভীনের চিকিৎসা সেবা প্রদান নিয়ে হাসপাতালে ডাক্তার ও নার্সসহ কর্মচারিদের কর্মবিরতি এবং ডাঃ মঈনসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলার প্রেক্ষিতে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে সৃষ্ট পরিস্থিতি নিরসনের পর হাসপাতালে রোগীর সেবা প্রদান স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। তবে গতকাল বিকেল পর্যন্ত ডাক্তারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা এবং তাদের বিরুদ্ধে জারীকৃত গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রত্যাহার না হওয়ায় তারা কাজে যোগদান করেননি। মঙ্গলবার গভীর রাতে এমপি অ্যাডঃ মোঃ আবু জাহির, জেলা প্রশাসক সাবিনা আলম, জেলা ও দায়রা জজ মোঃ আতাবুল­াহ, পুলিশ সুপার জয়দেব কুমার ভদ্র, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও বিএমএ সভাপতি ডাঃ মুশফিক হুসেন চৌধুরী, সিভিল সার্জন ডাঃ দেবপদ রায় আলোচনাক্রমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করেন।
সৃষ্ট সমস্যার সমাধান হলেও গতকাল বুধবার বিকেল পর্যন্ত প্রত্যাহার হয়নি মামলা। ডা. মঈনসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ইস্যু হওয়া গ্রেফতারী পরোয়ানাও প্রত্যাহার হয়নি। ফলে মামলার আসামীরা কাজে যোগদান করেননি।
এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ডাঃ দেবপদ রায় জানান, বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান হওয়ায় সবাই খুশি। এতে সাধারণ মানুষ ভোগান্তি থেকে রেহাই পেয়েছে। যেহেতু এমপি আবু জাহির বিষয়টির নিষ্পত্তি করেছেন সেহেতু মামলা প্রত্যাহারের বিষয়টিও তিনি দেখবেন।
হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি নাজিম উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার রাতেই হাসপাতালের ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা আসে। বুধবার বিকেল পর্যন্ত তা প্রত্যাহারের কোন নির্দেশ আসেনি।
মামলার বাদী জেলা ও দায়রা জজের নাজির রেজাউল করিম খোকন জানান, তিনি মামলা প্রত্যাহারের কোন সিদ্ধান্ত পাননি এবং কোন দরখাস্ত দেননি।
প্রসঙ্গত, সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাফরোজা পারভীন। হাসপাতালে পরিচ্ছন্ন কোন কক্ষ না থাকায় তাঁকে পোস্ট অপারেটিভ কক্ষে রাখার ব্যবস্থা করা হয়। কক্ষ গুছিয়ে দিতে বিলম্ব হওয়ায় এবং চিকিৎসা দিতে গাফিলতির জন্য আদালতের কর্মচারী ও হাসপতালের কর্মচারীদের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। হাসপাতালের ব্রাদার হাবিবুর রহমানকে পুলিশ নিয়ে গেলে সকল চিকিৎসক ও কর্মচারীরা কর্মবিরতি ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার সকালে নাজির রেজাউল করিম খোকন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজের সাথে দেখা করতে হাসপাতালে আসলে চিকিৎসক ও নার্সরা উত্তেজিত হয়ে উঠে এবং তাকে এবং তার তিন সহকর্মীকে শারিরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। পাশাপাশি চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ রেখে আন্দোলনে নেমে পড়ে চিকিৎসক ও নার্সরা। বিকেলে নাজির রেজাউল করিম খোকন হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মঈনসহ ১৩ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এ এস এম হুমায়ুন কবির মামলাটি গ্রহন করে আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যু করলে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com