বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নবীগঞ্জে ১৯ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আন্দোলন-সংগ্রামের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে সংসদীয় কমিটির সভাপতি জি কে গউছ বাহুবলে ইনডোরে খেলার সময়সূচি নিয়ে ৩ ঘণ্টা ব্যাপী সংঘর্ষ ॥ আহত অর্ধশত মাধবপুরে আবাসিক হোটেলে অভিযান ॥ নারী-পুরুষসহ আটক ১০ নবীগঞ্জের বুরহানপুরে কবরস্থানের সুরক্ষা ও পবিত্রতা রক্ষায় প্রবাসীদের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের উদ্যোগ নবীগঞ্জ পৌর বিএনপির আয়োজনে ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত দাউদনগর বাজারে ফের তীব্র যানজট ফুটপাত দখলে নাকাল শায়েস্তাগঞ্জবাসী বছর না যেতেই নতুন ভবনের ছাদ চুইয়ে পানি ॥ হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় দুর্ভোগে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দর্শনার্থীরা মাধবপুরে নিখোঁজের ৫ দিন পর নদী থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‌্যালী পূর্ব সমাবেশে হুইপ জি কে গউছ দেশের গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে বিএনপি

নবীগঞ্জে সিএনজি ষ্ট্যান্ড দখল নিয়ে সংঘর্ষ মামলার অন্যতম আসামী শিপন গ্রেফতার ॥ বেলাল হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ২২ মে, ২০১৫
  • ৫৫২ বা পড়া হয়েছে

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ নবীগঞ্জ-আইনগাঁও সড়কের রুদ্রগ্রাম রোডস্থ সিএনজি ষ্ট্যান্ড দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায়  দায়েরকৃত মামলার অন্যতম আসামী শিপন মিয়া (৩৫)কে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে গ্রেফতার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। ধৃত শিপন মিয়া পৌর এলাকার রাজনগর গ্রামের তালেব আলীর পুত্র। শিপন মিয়া নবীগঞ্জে প্রকাশ্য দিবালোকে চাঞ্চল্যকর বেলাল মিয়া হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ করেছেন নিহত বেলাল মিয়ার পিতা ফারুক মিয়া।
উল্লেখ্য, নবীগঞ্জ-আইনগাঁও সড়কের রুদ্রগ্রাম রোডস্থ সিএনজি ষ্ট্যান্ডে দীর্ঘদিন ধরে পৌর এলাকার নোয়াপাড়া গ্রামের ফারুক মিয়া, দুলাল মিয়া ও মাইজগাঁও গ্রামের মনসুর উল্লা গংরা ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় একই এলাকার মৃত আব্দুল হেকিমের ছেলে সামছু মিয়া ও খনকারীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছাত্রদল নেতা রায়েছ চৌধুরী গংরা উক্ত ষ্ট্যান্ড জবর দখলের চেষ্টা করে। ব্যর্থ হয়ে তারা সামছু মিয়ার বাড়ির সামনে ওই সড়কে চলাচলরত সিএনজি গাড়ীতে বাধা দিয়ে আটক করে। এনিয়ে গত ২৫ এপ্রিল দুপুরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। উক্ত সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। উক্ত সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত বেলালের ভাই আহত হেলাল মিয়ার একটি চোখঁ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। এ ঘটনায় সিএনজি ম্যানেজার মনসুর উল্লা বাদী হয়ে ধৃত শিপন মিয়াসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০/১৫ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার অন্যতম আসামী হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে ওসমানী রোড থেকে থানার এসআই আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ শিপন মিয়াকে গ্রেফতার করে। এছাড়া উক্ত সংঘর্ষের ঘটনার পরদিন ২৬ এপ্রিল শহরের শেরপুর রোডস্থ মাইওয়ান এর সামনে দাড়ানো অবস্থায় পুর্বের ঘটনার জের ধরে সামছু ও রায়েছ চৌধুরীর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী বেলাল মিয়াকে খুন করে। আগের দিন প্রতিপক্ষের হাতে বিএ পরীক্ষার্থী হেলালের চোখ নষ্ট, পরদিন ওই সন্ত্রাসীদের হাতে বেলাল খুনের ঘটনায় তাদের পিতা ফারুক মিয়া দিশেহারা হয়ে পড়ে।
এদিকে শিপন গ্রেফতারের খবর পেয়ে বেলাল হত্যার বাদী ফারুক মিয়া জানান, তার একটি ছেলের চোখ নষ্ট, অপর ছেলে খুন হওয়ায় দিশেহারা থাকায় হত্যা মামলায় শিপনকে আসামী দিতে পারিনি। তবে অজ্ঞাতনামা হিসেবে তাকে ঘটনার পর পরই খোঁেজ বেরিয়েছি। তিনি আরও বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে শিপন তার ছেলে হত্যার অজ্ঞাতনামা আসামী হিসেবে সনাক্ত করেছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নজরুল ইসলাম জানান, হত্যা মামলার বাদী ফারুক মিয়া তাকে ফোনে শিপনের বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি ঢাকায় ট্রেনিংয়ে থাকায় কিছু বলতে পারছেন না। তবে বিষয়টি যাচাই পুর্বক উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com