স্টাফ রিপোর্টার ॥ আজমিরীগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা ও কড়াকড়ির মধ্যেও থেমে নেই নিষিদ্ধ মাদক ইয়াবার কারবার। পৌর এলাকায় বেড়েছে মাদকসেবীদের দৌরাত্ম্য। স্থানীয়দের অভিযোগ, শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকার ইয়াবা বিক্রি হচ্ছে। তবে মাদক কারবারের মূল হোতারা সবসময়ই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মাদক কারবারিরা কৌশল পাল্টে সড়ক ও নৌপথে বিভিন্ন এলাকা থেকে ইয়াবার চালান নিয়ে আসছে। আগের মতো নির্দিষ্ট স্পটে ইয়াবা বিক্রি কমে গেলেও নতুন নতুন বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে বিক্রির ধরনেও এসেছে পরিবর্তন।
সূত্রের দাবি, বর্তমানে মোবাইল ফোনে ক্রেতার কাছ থেকে অর্ডার নিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে ইয়াবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা ছোট ছোট চালানে ইয়াবা বহন করে ক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করছে। এসব বিক্রেতার অনেকেই কিশোর ও তরুণ বয়সী বলে অভিযোগ রয়েছে। এক মাদক কারবারির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগের মতো নির্দিষ্ট কোনো স্পটে এখন প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হয় না। পুরোনো স্পটগুলোর অনেক মাদক ব্যবসায়ী বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। আবার কেউ কেউ জামিনে বেরিয়ে এসে ফের একই কারবারে জড়িয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, মাদক কারবারিরা সিলেট, নবীগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল ও মাধবপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে সড়কপথে ইয়াবা নিয়ে আসে। পাশাপাশি কিশোরগঞ্জের ইটনার জনতাগঞ্জ বাজার, গজারিয়াসহ কয়েকটি এলাকা থেকে নৌপথেও ইয়াবা আনার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর কয়েকজন যুবক ও কিশোরকে মোটরসাইকেলে করে নৌ-টার্মিনাল এলাকায় অবস্থান করতে দেখা যায়। কখনো অজ্ঞাতপরিচয় যুবক বা কিশোরদের ফেরিনৌকায় নদী পার করে দেওয়া হয়। আবার কখনো মাদক পরিবহনের কাজে ফেরিনৌকার চালকদেরও ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। গত কয়েক মাসে আজমিরীগঞ্জ পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে ১০ থেকে ২০ পিস করে ইয়াবা বিক্রির সঙ্গে জড়িত কয়েকজন ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাকে দেখা গেছে বলে স্থানীয়রা জানান। তাদের মতে, সহজলভ্য ও দ্রুত লাভের আশায় কিশোর-তরুণদের একটি অংশও ধীরে ধীরে মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, বেশ কিছুদিন ধরে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর শনি আখড়া এলাকা, নগর গ্রামের টাওয়ার এলাকা, মাছবাজারের নিচের মাল্টিপারপাস শেড, গরুর বাজার, মুন সিনেমাহল এলাকা, পাহাড়পুর সড়ক, রামকৃষ্ণ মিশনের অদূরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স এবং উপজেলা পরিষদ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ জগৎজ্যোতি (বীর উত্তম) বাইপাস সড়ক এলাকায় কিশোর-তরুণদের মাদকসেবনের আড্ডা বসতে দেখা যায়। একই সঙ্গে কিশোর ও তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে সামাজিক সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করারও দাবি জানিয়েছেন তারা।ইয়াবা বিক্রির অভিযোগ
(শেষ পৃষ্ঠার পর) আজমিরীগঞ্জ পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে ১০ থেকে ২০ পিস করে ইয়াবা বিক্রির সঙ্গে জড়িত কয়েকজন ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাকে দেখা গেছে বলে স্থানীয়রা জানান। তাদের মতে, সহজলভ্য ও দ্রুত লাভের আশায় কিশোর-তরুণদের একটি অংশও ধীরে ধীরে মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, বেশ কিছুদিন ধরে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর শনি আখড়া এলাকা, নগর গ্রামের টাওয়ার এলাকা, মাছবাজারের নিচের মাল্টিপারপাস শেড, গরুর বাজার, মুন সিনেমাহল এলাকা, পাহাড়পুর সড়ক, রামকৃষ্ণ মিশনের অদূরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স এবং উপজেলা পরিষদ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ জগৎজ্যোতি (বীর উত্তম) বাইপাস সড়ক এলাকায় কিশোর-তরুণদের মাদকসেবনের আড্ডা বসতে দেখা যায়। একই সঙ্গে কিশোর ও তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে সামাজিক সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করারও দাবি জানিয়েছেন তারা।