নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ নবীগঞ্জ পৌর এলাকার রাজাবাদ গ্রামের পৈত্রিক সম্পত্তি অংশের পরিবর্তে নগদ টাকা গ্রহণের পরও সাবেক মহিলা কমিশনার ও তার ছেলের বিরুদ্ধে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগি মোস্তাফিজুর রহমান তার বোন সাবেক মহিলা কমিশনার জাহানারা বেগম ও তার বড় ছেলে শাহজাহান এর বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা যায়, কয়েক বছর আগে মৌলভীবাজার জেলার চাঁনপুর গ্রামের মৃত গিয়াস মিয়ার স্ত্রী জাহানারা বেগম রাজাবাদ গ্রামের সাজিদুল্লার কাছ থেকে ৪ শতক জায়গা ক্রয় করে বসবাস করে আসছেন। জাহানারার ক্রয়কৃত জায়গাটি তার পৈত্রিক বাড়ির সীমানায় অবস্থিত।
সাজিদুল্লা ও সৈয়দুর রহমান উভয়ের সীমানা পিলার এর মধ্যবর্তী স্থানে তাদের উভয় পরিবারের যাতায়াতের জন্য একটি রাস্তা ছিল। কিন্তু সাজিদুল্লার কাছ থেকে জায়গা ক্রয়ের পর জাহানারা বেগমের ছেলে হারুনুর রশিদ ২০১০ সালে উক্ত রাস্তাটি দখল করে রাস্তার শেষ সীমানায় একটি বসতঘর নির্মাণ করে। এতে সৈয়দুর রহমানের পরিবারের যাতায়াতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে সৈয়দুর রহমানের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান তাদের যাতায়াতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির কারণ জানতে চাইলে মোস্তাফিজুর রহমানের ওপর হামলা চালায় এবং তার বাড়িঘর ভাংচুর করে।
মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান অভিযোগে উল্লেখ করেন, কিছুদিন যাবত জাহানারা খাতুন পৈত্রিক সম্পত্তির অংশ নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকী-ধামকি প্রদর্শন করতে থাকে। পরবর্তীতে জাহানারা খাতুনকে পৈত্রিক অংশ হিসাবে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। এরপরও জাহানারা চলাফেরার রাস্তায় প্রতিবন্ধতা সৃষ্টি করে। বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য লোকজনকে অবহিত করলে কয়েকবার বিচার শালিস হলেও বিষয়টি সমাধান হয়নি। জাহানারা খাতুন বিচারকদের কথা না অমান্য করে মোস্তাফিজুর রহমানের পৈত্রিক সম্পত্তির মধ্যে খুঁটি স্থাপন করে। ফলে চলাফেরার রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। গত ২৪ আগষ্ট সকালে অভিযুক্তরা রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিলে মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দেন। এ সময় আিবযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাকে মারতে এগিয়ে আসলে দৌড়ে ঘরে চলে যান। তার সুর চিৎকারে আশ-পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে তাদের সামনে তারা বলে রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিবে, কেউ বাধা দিলে তাদের হত্যার হুমকী প্রদান করে। এতে মোস্তাফিজুর রহমান নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।