হবিগঞ্জের কয়েকটি স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় ‘চুনারুঘাটে ফাহিমা হত্যা মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর মুক্তা ইব্রাহীমসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। সংবাদটি মিথ্যা মামলা দ্বারা ও সাজানো। আমাদের ফাঁসানোর হীন উদ্দেশ্যে সাংবাদিক ভাইদের ভুল তথ্য দিয়ে পত্রিকায় সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। আমরা উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। প্রকৃত পক্ষে আমার শশুর বাড়ি চুনারুঘাটের ইকরতলীতে। আমার স্ত্রী মুক্তার মেজো ভাই সুজন মিয়ার স্ত্রী ফাহিমা আক্তার সকলের অগোচরে গলায় ওড়না পেছিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বিষয়টি আমি শশুড় বাড়ির লোকজনের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। ঘটনার সময় বা আগে-পরে আমরা দুজন সেখানে উপস্থিত ছিলাম না। কিন্তু পত্রিকার সংবাদে দেখলাম, ফাহিমা আক্তারের আত্মহত্যার ঘটনার সাথে আমরা স্বামী-স্ত্রীকে জড়িয়ে মামলার আসামী করা হয়েছে। সেটি খুবই দুঃখজনক। আশা করছি, স্থানীয় প্রশাসন এর সঠিক তদন্ত করবেন। আমরা ফাহিমার মৃত্যুর বিষয়ে কোন কিছু জানিনা। এছাড়া ধর্মঅবমাননার বিষয়ে আমরা যে ভুল করেছিলাম, সেটার জন্য দেশবাসীর কাছে আমরা কয়েকবার ক্ষমা চেয়েছি। যা পুলিশ প্রশাসনসহ এলাকার সচেতন মহল অবগত। ফাহিমার মৃত্যুর ঘটনার সাথে আমাদের সম্পৃক্ত করে একটি কুচক্রি মহল অবৈধ ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে। আমরা এ বিষয়ে কিছু জানিনা, স্থানীয় লোকজন এর প্রমান। আমরা উক্ত মিথ্যা মামলা ও সাংবাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি এ ঘটনায় আমাদের জড়িয়ে প্রতিবেদন না করতে সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।
-ইব্রাহীম মিয়া ও মুক্তা আক্তার।