শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নবীগঞ্জের ইনাতগঞ্জ সড়ক এখন মরণ ফাদঁ কাজ নিয়ে তদন্তের দাবী ॥ আজ মানববন্ধন হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে গোলাম মোস্তফা রফিকসহ ৩ জনের মৃত্যুতে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে এমপি ফয়সল ও শাম্মী আক্তারের শোক নবীগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চার গ্রামের পঞ্চায়েতের কবরস্থান দখলের অভিযোগ শহরে রাজনগর ও আনোয়ারপুরে দুই দল যুবকের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া বানিয়াচং দক্ষিণ আঞ্চলিক শ্রমিক কমিটি গঠন আবুল কাশেম আহবায়ক, রুবেল মিয়া সদস্য সচিব বাহুবলের রাবার বাগান কর্মী মোশাররফের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সরকারি সম্পদ লুটের অভিযোগ নবীগঞ্জে সারের ডিলার পয়েন্টে বিশেষ অভিযান ॥ জরিমানা চুনারুঘাটে গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তার বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি ॥ মালামাল লুট হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ॥ গ্রেপ্তার ৪

চুনারুঘাটের ১৮টি চা বাগানে প্রতিদিন সাড়ে ৩ হাজার লিটার চোলাই মদ উৎপাদিত হয়

  • আপডেট টাইম রবিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
  • ৬৩৪ বা পড়া হয়েছে

নুরুল আমিন, চুনারুঘাট থেকে ॥ চুনারুঘাটের ছোট বড় ১৮টি চা বাগানের বেশির ভাগ শ্রমিক লেনে গড়ে উঠেছে দেশীয় চোলাই মদের দোকান। প্রতি বাগানে কম করে হলেও ২শ’টি ঘরোয়া কারখানা রয়েছে। নিরিবিলি স্থানে গড়ে উঠা এসব কারখানায় প্রতিদিন কমপক্ষে উৎপাদিত হয় ২হাজার লিটার চোলাই মদ। প্রতি বাগানে রাত হলে এসব মদের দোকানে চলে মদপান ও অশ্লীল নাচানাচি। হালে চা শ্রমিক ছাড়াও গ্রামের উঠতি বয়সের যুবকরাও চোলাই মদে আকৃষ্ট হচ্ছে। দেশে মাদক বিরোধী অভিযানের পর চা বাগানগুলোর এসব চোলাই মদের কারখানা বা দোকানগুলোকে নিরাপদ মনে করছে মদ্যপরা। ফলে বাড়ছে মদ্যপের সংখ্যা। অভিযোগ রয়েছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু লোক চা-বাগানে গড়ে উঠা এসব কারখানা থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। চা বাগানগুলো সামন্তবাদী কায়দায় পরিচালিত হয়- এ অজুহাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাগানে গড়ে উঠা মদের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা বা মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করতে উৎসাহ পায়না বলে জানান মাদক বিভাগের কর্মকর্তারা। ফলে প্রকাশ্যে জমজমাট বেচা-কেনা হচ্ছে শ্রমিকদের নিজস্ব পদ্ধতিতে তৈরী নানান জাতের মদ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার চা বাগানের মদের কারখানাগুলোতে তৈরি চোলাই, হাড়িয়া, চোয়ানী জাতের মদ তৈরী হয় নিত্যদিন। এসব মদ বাইরেও চালান দেয়া হয়। ওইসব মদ সেবন করে বাগানের ৭০ শতাংশ চা শ্রমিক। সেবন পর্ব চলে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত। শ্রমিকদের সাথে বস্তির মদখোরেরাও দিব্যি যোগ দেয় মদ সেবনের আড্ডায়। অথচ তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না বাগান কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। চা শ্রমিকরা যুগের পর যুগ ধরে বাগানে মাদক সেবনের এই ধারা অব্যাহত রাখলেও সাধারণ শ্রমিক ও যুবসমাজকে রক্ষায় মাদক উৎপাদন বন্ধ করতে হবিগঞ্জ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছেনা। ওই বিভাগের লোকজনের বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অভিযোগ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ইউপি সদস্য বলেন, নারকটিক্স বিভাগের সদস্যরা সাদা পোষাকে এসে বখরা আদায় করে। চোলাই মদ ব্যবসায়ীদের ঈশারায় মাঝে মাঝে প্রতিপক্ষ বা প্রতিবাদকারীদের আটক করে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়। যদিও তারা মাঝে মাঝে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করে থাকে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com