সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন খোয়াই নদীর ভাঙ্গা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন হুইপ ॥ বিএনপির রাজনীতি করে জনগণের জন্য-জি কে গউছ শায়েস্তাগঞ্জে পুকুরে শুঁটকি ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার হবিগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা ও আনসার কমান্ডার পরিচয়ে এক যুবকের প্রতারণা পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ নবীগঞ্জে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আউশে ফলন ভালো দামে সর্বনাশ ॥ ধান চাষে মুখ ফিরাচ্ছেন কৃষক সততা-স্বচ্ছতার সাথে মানুষের কাজ করে যাচ্ছি-সৈয়দ ফয়সল এমপি বাহুবলে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে সড়ক অবরোধ ॥ যান চলাচল বন্ধ হবিগঞ্জ পৌরসভার কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার সিলেট বিভাগের পরিচালক আশরাফুর রহমান উজ্জ্বলপুর বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট দুই কক্ষে ৫৭ শিক্ষার্থীর পাঠদান কার্যক্রম

নবীগঞ্জের আউশকান্দি অরবিট হাসপাতালের ডাক্তারের কাণ্ড !

  • আপডেট টাইম রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
  • ৭৩৫ বা পড়া হয়েছে

নবীগঞ্জ সংবাদদাতা ॥ নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি অরবিট হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ খায়রুল বাশারের বিরুদ্ধে সুস্থ্য শিশুকে রেফার্ড করে অভিভাবকদের হয়রানীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সর্বত্র আলোচনা চলছে।
মৌলভীবাজারের মামুন হাসপাতালের ডাক্তার বিশ্বজিৎ ও নবীগঞ্জের আউশকান্দি অরবিট হাসপাতালের ডা. খায়রুল বাশারের মোবাইল ফোনে আলাপে বেড়িয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। গত শুক্রবার দুপুরে আলাপকালে ফোনালাপের কথা স্বীকারও করেছেন ডাঃ খায়রুল বাশার। এঘটনায় উপজেলা শুরু হয়েছে তোলপাড় ! সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ আগস্ট উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের ফুলতলীর বাজার এলাকার রুবেল মিয়ার ৪০ দিন বয়সী শিশু ইসমত নাহার জিবার ঘন ঘন হেচকি’র কারণে অরবিট হাসপাতালে ডা. খায়রুল বাশারের শরণাপন্ন হন তার মা। সেদিন চিকিৎসক ঔষুধ দিয়ে দিলে শিশুকে জিবার পরিবার ফিরে আসেন। পরদিন শিশু জিবার কোনো উন্নতি না হলে আবারও কথা বলেন চিকিৎসক ডা. খায়রুল বাশারের সাথে। এসময় ডা. খায়রুল জানান, শিশুটির অবস্থা আশংকাজনক। লাখ লাখ টাকা দিয়েও অনেকে বাচ্চা পায়না জানিয়ে টাকার দিকে না তাকিয়ে দ্রুত মৌলভীবাজারের মামুন হাসপাতালে নিয়ে ভর্তির পরামর্শ দেন। এবং সেখানে গিয়ে ডা. বিশ্বাজৎ এর ফোন থেকে ডা. খায়রুল বাশারকে ফোন দেয়ার জন্যও বলেন পরামর্শ দেন তিনি। আর্থিক সঙ্গতি না থাকলেও শিশুর প্রাণ রক্ষার্থে দ্রুত মৌলভীবাজার ছুটে যান শিশুর মা শিরিন আক্তার। সেখানে গিয়ে শিরিন আক্তার তার মোবাইল থেকে ডা. বিশ্বজিতের সাথে কথা বলেন ডা. খায়রুল বাশার। কল রেকডিং এ বলতে শোনা যায় (হুবহু) ঃ Ñ ডা.বিশ্বজিৎ ঃ দুলাভাই তোমার রোগী খুবই ভালা আছে কোনো সমস্যা নাই?
ডা. খায়রুলঃ শোন শোন হের মার সামনে মাতিস না, মা হচ্ছে হাইপারসেন্সেটিভ ভালাবুরা খওয়ার দরকার নাই রোগী খারাপ আছে চিকিৎসা কর !
ডা.বিশ্বজিৎ ঃ আইচ্ছা
ডা. খায়রুল ঃ ভালা জীবনেও কইস না, ভালা জীবনেও কইস না আমি তো জানি ভালা ! মা হচ্ছে হাইপারসেন্সেটিভ তাই বলছি ভর্তি করান !
ডা.বিশ্বজিৎ ঃ হ্যা তারা থাকবো অপজারবেশনে থাকবো !
ডা. খায়রুল ঃ ইনশেকশন টিনশেকসন মার নাইলে শান্তি অইতো না !
পরে সম্পুর্ণ সুস্থ্য জিবাকে হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন তিনি ডা. বিশ্বজিৎ। সে অনুযায়ী রাতে ওই ক্লিনিকে ভর্তি করা হয় জিবাকে। পরে বিষয়টি আঁচ করতে পারেন জিবা’র মা। তাই পরদিন ক্লিনিক থেকে বাড়ি ফেরেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com