সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অর্থের অভাবে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরছে না দুলনের মরদেহ হবিগঞ্জে এনসিপির দায়েরকৃত মামলায় ছাত্রদলের নেতাদের জামিন লাভ হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ ৯ জনকে আসামী করে ছাত্রদল নেতার মামলা রুজু বাহুবলে শ্যামলী বাসের সাথে সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ১ হবিগঞ্জ আদালতে কোর্ট ফি সংকট ॥ ভোগান্তি সুরমা চা বাগানে ৫০ বছরের পুরোনো সেতুতে ভোগান্তি শহরে ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান ॥ আটক ১ শায়েস্তাগঞ্জে গরুবাহী পিকআপে ডাকাতি র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ১ বাহুবলে দ্বৈত হত্যা মামলার আরও ১ আসামি নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার চুনারুঘাটে র‌্যাবের অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ আটক ২

মাধবপুরে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণ ॥ শংকরপাশার যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • আপডেট টাইম সোমবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৭
  • ৫৯৮ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মাধবপুর উপজেলার সাতপাড়িয়া গ্রামে যুবতীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের দায়ে মাহবুবুল ইসলাম সুমন (২৫) নামের এক প্রবাসিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল রবিবার দুপুরে হবিগঞ্জের নারী ও শিশু আদালতের বিচারক প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস এ রায় দেন। মাহবুবুল ইসলাম সুমন হবিগঞ্জ সদর উপজেলার উচাইল শংকরপাশা গ্রামের জাকির হোসেন ওরফে নানু মাস্টারের পুত্র। রায় ঘোষণার সময় সুমন পলাতক ছিল।
মামলার বিবরণে ও আসামীপক্ষের জবাবদৃষ্টে জানা যায়, ২০১০ সালের ২ জানুয়ারি বিকালে মাধবপুর উপজেলার সাতপাড়িয়া গ্রামের সাবেক সেনাবাহিনীর ল্যান্স নায়েক আবিদুর রহমান চৌধুরীর কন্যা কলেজ ছাত্রী শারমিন চৌধুরীকে বাড়ি থেকে অপহরণ করে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। ওই বছরই ৫ জানুয়ারি শারমিনের চাচাতো ভাই ইউনুছ মিয়া বাদি হয়ে সুমন ও তার পিতা নানু মাষ্টারের বিরুদ্ধে মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর তৎকালীন এসআই আলমগীর হোসেন ও আতিকুর রহমান নানু মাষ্টারকে বাদ দিয়ে সুমনকে আসামী রেখে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। এর প্রেক্ষিতে আদালত বিচার কাজ শুরু করেন। এদিকে সুমন আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করে। আদালত জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন। দীর্ঘ হাজতবাসের পর আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। এরপর সে আদালতে জবাবদৃষ্টে কাগজপত্র দাখিল করে। সে আবেদনে জানায়, কলেজে লেখাপড়ার সময় তার সাথে শারমিন চৌধুরীর পরিচয় হয়। এক সময় দুজনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। বিষয়টি শারমিনের পরিবার মেনে নেয়নি। তারা ২০১০ সালের ১ জানুয়ারি দুজন পালিয়ে যায়। বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে থেকে ২০১০ সালের ২১ জানুয়ারি নারায়নগঞ্জে এডঃ নুরুল হক চৌধুরীর এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ে করে। এর পরের দিন কাজী হুমায়ুন রশিদের উপস্থিতিতে ওই দিন কাবিন রেজিস্ট্রি করা হয়। পরে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে শারমিন চৌধুরীকে উঠিয়ে দিবে মর্মে তাদের বাড়ি নিয়ে যায়। কিন্তু আপোষ না হওয়ায় মামলার কার্যক্রম চলতে থাকে। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত গতকাল এ রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন স্পেশাল পিপি আবুল হাশেম মোল্লা মাসুম ও তাঁর সহকারি এপিপি মোঃ আসাদুজ্জামান চৌধুরী। এদিকে আসামী সুমন জামিনে গিয়ে মালয়েশিয়া চলে যায়। রায় প্রদানকালে সুমন আদালতে অনুপস্থিত ছিল। নারী ও শিশু কোর্টের পেশকার সালেহ উদ্দিন জানান সাজা পরোয়ানা থানায় প্রেরণ করা হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com