সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অর্থের অভাবে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরছে না দুলনের মরদেহ হবিগঞ্জে এনসিপির দায়েরকৃত মামলায় ছাত্রদলের নেতাদের জামিন লাভ হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ ৯ জনকে আসামী করে ছাত্রদল নেতার মামলা রুজু বাহুবলে শ্যামলী বাসের সাথে সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ১ হবিগঞ্জ আদালতে কোর্ট ফি সংকট ॥ ভোগান্তি সুরমা চা বাগানে ৫০ বছরের পুরোনো সেতুতে ভোগান্তি শহরে ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান ॥ আটক ১ শায়েস্তাগঞ্জে গরুবাহী পিকআপে ডাকাতি র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ১ বাহুবলে দ্বৈত হত্যা মামলার আরও ১ আসামি নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার চুনারুঘাটে র‌্যাবের অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ আটক ২

হবিগঞ্জ থেকে নিখোঁজ শিশু সাইফুল ঢাকার বন্দিশালা থেকে পালিয়ে এসেছে

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৬
  • ৭৭৬ বা পড়া হয়েছে

কাজী মিজানুর রহমান ॥ হবিগঞ্জ থেকে নিখোঁজ হওয়া শিশুকে ৬ মাসেও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। তবে ওই শিশুটি কাজের মেয়ের সহযোগিতায় ঢাকায় একটি বাড়ির বন্দিশালা থেকে পালিয়ে এসেছে। সে সদর উপজেলার সুলতানশী হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ও গোবিন্দপুর গ্রামের আখলাছ মিয়ার পুত্র। বন্দিশালা থেকে পালিয়ে আসা সাইফুল ইসলাম আনন্দ গতকাল বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদেরকে জানায়, ১৬ ফেব্র“য়ারি সুলতানশী মেলা ছিল। রাত ১০টায় সে ও তার এক বন্ধু মেলায় গেলে অপরিচিত একজন লোক এসে তার সাথে বন্ধুত্ব করে এবং তাকে পুড়ি খাওয়ায়। এরপর সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। একদিন পর জ্ঞান ফিরলে দেখতে পায় সে কমলাপুর রেল স্টেশনে। এরপর তাজুল মোল্লা নামে একজন লোক মালিবাগের একটি বাসায় নিয়ে বিক্রি করে দেয়। সেখানে সে শত নিপীড়িন নির্যাতন সহ্য করে তাদের কথামতো ছিল এবং ঘরে কাজ কর্ম করে। এ পরিবারের অন্যান্য সদস্যের সাথে সে ভাব জমায় এবং বাসা থেকে পালিয়ে আসার কৌশল খোজতে থাকে। সে ওই বাসার কাজের মহিলার সহযোগিতা নেয়। কাজের মহিলা তাকে ১শ টাকা দেয়। গত মঙ্গলবার রাতে কৌশলে ওই বাসার বন্দিশালা থেকে সে পালিয়ে আসে। কাজের মহিলাটি তাকে ট্রেনে তুলে দেয়। রাত ১টার দিকে শায়েস্তাগঞ্জ রেল স্টেশনে নামে। সেখান থেকে সিএনজিযোগে সকালে সে বাড়িতে আসে এবং তার পরিবারকে ঘটনা খুলে বলে। তার পিতা আলকাছ মিয়া গতকাল বুধবার দুপুরে তাকে সদর থানায় নিয়ে যান। পুলিশ তার জবানবন্দি রেকর্ড করে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত তার জবানবন্দি নিয়ে পিতার জিম্মায় দেয়।
উল্লেখ্য ১৬ ফেব্র“য়ারি ওই শিশুর পিতা বাদি হয়ে সদর থানায় একটি জিডি করেন। এরপর পুলিশ বিভিন্নস্থানে তল্লাশী চালিয়েও ওই শিশুকে উদ্ধার করতে পারেনি। সম্প্রতি নিশাপট গ্রামের জমির আলীর পুত্র আলা উদ্দিন (৩০) শিশুর পিতাকে ফোন করে বলে তোমার ছেলেকে ফেরত পেতে হলে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। বিষয়টি তার পিতা পুলিশকে জানালে আলা উদ্দিন পুলিশের সাথে গেমস খেলে। এক পর্যায়ে মহিলা পুলিশ দিয়ে কৌশলে তাকে আটক করা হয়। এ ব্যাপারে আলা উদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন আসামী করে অপহরণ করে মামলা করেন। আলা উদ্দিন কারাগারে রয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com