শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
চুনারুঘাট সীমান্তে বিজিবির অভিযান ১ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণকালে হুইপ জি কে গউছ ॥ শেখ হাসিনার অপকর্মের বিচার মানুষ দেখতে চায় সিলেট ওসমানীনগরে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত ৯ মাধবপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু মাধবপুর তেলিয়াপাড়ায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ পরিদর্শন করেছেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান নবীগঞ্জের কায়স্থগ্রাম-দেবপাড়া সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত রেকর্ড দামে চা বিক্রি উমেদনগরে বিদ্যুতের তার কাটতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু বানিয়াচংয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু বাহুবলে হত্যা মামলার আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেপ্তার

চুনারুঘাটে মাদকের রমরমা ব্যবসা

  • আপডেট টাইম রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
  • ৫৫৪ বা পড়া হয়েছে

চুনারুঘাট প্রতিনিধি ॥ ঈদকে সামনে রেখে চুনারুঘাট সীমান্তের ১০টি গোপন পথে চলছে মাদকের রমরমা ব্যবসা। স্থানীয় মধ্যস্বত্তভোগী ও দারোগাকে ম্যানেজ করে ওই ব্যবসা চালানো হচ্ছে অনেকটা প্রকাশ্যেই। চুনারুঘাট সীমান্তর সাতছড়ি, চিমটিবিল, গুইবিল, বল্লা ও কালেঙ্গা সীমান্তের ১০টি গোপন পথ দিয়ে আসছে মদ-গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক। এর সাথে আসছে হিরোইন ও ইয়াবা। পুলিশের আসকারায় ওই সীমান্তের আশ-পাশের গ্রামগুলোতে গড়ে উঠেছে মাদকের বড় সিন্ডিকেট। সীমান্তের সাদ্দাম বাজার, চিমটিবিল, চিমটিবিলখাস, টেকেরঘাট, আলীনগর, গোবরখলা, গাজীপুর, ধলাইরপাড়,সাতছড়ি এলাকায় রয়েছে মাদক পন্যের বড় আড়ৎ। ওই এলাকার ২ শাতাধিক মাদক ব্যবসায়ী নানা কায়দায় মাদকের চালান পৌছে দিচ্ছে নির্দিষ্ট গন্তব্যে। বোরকা ও মুখোশ পড়া স্বামী পরিত্যাক্তা নারী ও শিশুদেরকে ব্যবহার করা হচ্ছে এ কাজে। র‌্যাবের হাতে মাঝে-মধ্যে কিছু মাদক ধরা পড়লেও সিংহভাগ মাদকের চালান নানা হাত ঘুরে চলে যাচ্ছে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে। মাদকের চালান পুলিশ আটকাতে পারছেনা। চোরা ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, চুনারুঘাট থানার এক দারোগা পুরো মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করছেন। ওই দারোগা দীর্ঘদিন ধরে এ থানায় দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সাদা পোষাকে সারাদিন ছুটে চলেন এ সীমান্ত থেকে ও সীমান্তে। সুত্র জানান, স্থানীয় প্রভাবশালী ফঁড়িয়া ব্যবসায়ীরা খোয়াই শহরের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে হাঁস, ইলিশ, ছোট মাছ ও রাবারের বিনিময়ে মাদক কিনে এনে গোপন আড়তে জমা রাখে। মধ্যস্বত্তভোগী ও ওই পুলিশ সদস্যের গ্রীন সিগন্যাল পেলেই মাদকের চালান পাঠানো হয় উপজেলা সদরে। এরপর সে চালান লাইটেস, বাসে করে চলে যায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। মাদক পাচারে ব্যবহৃত হচ্ছে মোটরসাইকেল, সিএনজি অটো রিক্সা, লাইটেস। প্রতি মাসের আইন-শৃংখলা সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা মাদকের বিরোদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালানোর তাগিদ দিচ্ছেন। কিন্তু এর সুফল পাচ্ছেন না জনপ্রতিনিধিরা। পুলিশের হাতে মাঝে মাঝে লোক দেখানো কিছু মাদক ধরা পড়লেও ওই জব্দকৃত মাদক কোথায় জমা রাখা হয় তার হদিসও পাওয়া যায় না। গত ৮ সেপ্টেম্বর র‌্যাবের হাতে আটক হয়েছে বিপুল পরিমান গাঁজা। গতকাল পুলিশের হাতে কিছু ইয়াবা ট্যাবলেট আটক হয়েছে। আহম্মদাবাদ ইউপি’র চিমটিবিল খাস ও সাতছড়ি থেকে নিয়ন্ত্রিত হয় মাদক ব্যবসা। থানার বিশেষ এক দারোগার হয়রানীর ভয়ে ভয়াবহ এ ব্যবসার প্রতিবাদ করতেও সাহস পাচ্ছেন না কেউ।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com