বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

মোবারক মাহে রামাদ্বান

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০১৫
  • ৭১৪ বা পড়া হয়েছে

মুফতী এম এ মজিদ
মহান আল্লাহ তা’আলার দরবারে অশেষ শুকরিয়া রহমত বরকত মাস রমদ্বান পর্যন্ত আমাদেরকে পৌছিয়ে দিয়েছেন। যে মাস সম্পর্কে মহান আল্লাহ তা’আলা বলেন, হে ঈমানদারগণ: তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে। যেমন ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর। এই রমদ্বান মাসেই আল-কুরআন নাযিল করা হয়েছে। যা সমগ্র মানবজাতির জন্য হেদায়াত এবং সুষ্পষ্ট উপদেশাবলীতে পরিপূর্ণ। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ মাস পাবে তার জন্য এই পূর্ণ মাসের রোযা রাখা ফরয। আর যদি কেউ অসুস্থ কিংবা সফরে থাকে তাহলে সে যেন অন্য দিনগুলোয় এই রোযার সংখ্যা পূর্ণ করে (বাকারা ১৮৩-১৮৫)।
প্রকৃত অর্থে আল্লাহর পক্ষ থেকে রোযার সরাসরি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অবশ্যই আমাদেরকে যথাযথভাবে রোযার হুকুম পালন করতে হবে।
নবীজীর জলিল কদর সাহাবী হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত রাসুল (সাঃ) বলেছেন, বনী আদমের প্রতিটি আমল তার নিজের জন্য, কিন্তু রোযা ছাড়া। কারণ রোযা আমার জন্য এবং আমি নিজেই এর প্রতিদান দেব। আর রোযা হচ্ছে ঢালস্বরূপ। কাজেই তোমাদের কেউ যখন রোযা রাখে সে যেন খারাপ আলোচনা এবং ঝগড়া না করে। যদি কেউ তাকে গালি দেয় বা তার সাথে ঝগড়া করে তাহলে সে যেন বলে, আমি রোযাদার, যার হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম। রোযাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মিশকের চাইতেও সুগন্ধযুক্ত। রোযাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে, প্রথমটি হচ্ছে, সে ইফতারের সময় খুশি হয়। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে তার রবের সাথে সাক্ষাত। তখন সে তার রোযার কারণে আনন্দিত হবে। রোযাদারের মর্যাদা আল্লাহ তা’আলার কাছে অনেক বেশী। রোযাদারদেরকে রাইয্যান নামক দরজা থেকে ডাকা হবে।
রাইয্যান নামে জান্নাতের একটি দরজা। কিয়ামতের দিন এই দরজা দিয়ে শুধুমাত্র রোযাদাররা প্রবেশ করবে। রোযাদার ছাড়া এই মর্যদা আর কেউ লাভ করতে পারবে না। রাসুল (সাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় মাত্র একটি রোযা রাখে। তার এই একটি দিনের বদৌলতে আল্লাহ তাকে আগুন থেকে সত্তর বছরের দূরত্বে সরিয়ে রাখবেন। রাসুল (সাঃ) বলেন, যখন রমদ্বান মাস আসে তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়। আর জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। এবং শয়তানদেরকে শৃংখলিত করে রাখা হয়।
লেখক
খতিব, কেন্দ্রীয় সুন্নী জামে মসজিদ, হবিগঞ্জ, ০১৭১১-৮৫১৪০৬।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com