বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

হবিগঞ্জে ক্যাপসিকাম চাষ করে নতুন সবজি উপহার দিলেন পলাশ মিয়া

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০১৫
  • ৯৪০ বা পড়া হয়েছে

আবু ছালেহ্ মোঃ নুরুজ্জামান চৌধুরী শওকত ॥ ক্যাপসিকাম বা মিষ্টি মরিচ সারা বিশ্বেই একটি জনপ্রিয় ক্যাপসিকাম (মিষ্টি মরিচ) আমাদের দেশীয় প্রচলিত সবজি না হলেও ইদানিং এর চাষ সম্প্রসারিত হচ্ছে। বিশেষ করে বড় বড় শহরের আশেপাশে সীমিত পরিসরে কৃষকেরা এর চাষ করে থাকেন। যা অভিজাত হোটেল ও বিভিন্ন বড় মার্কেটে বিক্রি হয়ে থাকে। এছাড়া মিষ্টি মরিচ ক্যাপসিকাম (মিষ্টি মরিচ) বিদেশে রপ্তানির সম্ভাবনাও প্রচুর। কারণ সারা বিশ্বে টমেটোর পর পরই চাইনিজ রেস্তোরা ও অভিজাত পরিবারগুলোতে এর কদর গুরুত্বপূর্ণ সবজি হচ্ছে ক্যাপসিকাম বা মিষ্টি মরিচ। এ সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি বিদ্যমান এবং সহজেই টবে চাষ করা যায়। হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ৭নং নূরপুর ইউনিয়নের অলিপুর ব্লকের সুরাবই গ্রামের কৃষক মোঃ পলাশ মিয়া তার ৫শতক জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ শুরু করেন। গত বছরে নভেম্বর মাসে চারা রোপন করেন। অলিপুর ব্লকের উপ সহকারী কৃষি অফিসার এবং সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর শহিদুল ইসলাম এর সহযোগিতায় এবং পরামর্শে কৃষক পলাশ মিয়া এর চাষ শুরু করেন। এ সবজি হবিগঞ্জে  নতুন হওয়ায় অন্যান্য কৃষকেরাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। তবে আশেপাশের বাজারগুলোতে এর চাহিদা খুবই কম। ক্যাপসিকামের চাহিদা থাকে তাহলে হবিগঞ্জে উর্বর জমিতে সহজেই উচ্চ মূল্যের ক্যাপসিকাম বা (মিষ্টিমরিচ) চাষ করা সম্ভব। পলাশ মিয়া জানান তার জমিতে মোট খরচ হয়েছে প্রায় ২৫০০ খেকে ৩০০০ হাজার টাকা। এখন পর্যন্ত তিনি বিক্রি করেছেন প্রায় -১০,০০০ হাজার টাকা। আরোও ৪/৫ হাজার টাকার ক্যাপসিকাম বিক্রি হবে।  সল্প খরচে অধিক মূল্য পাওয়া যায় এই ক্যাপসিকামে আশেপাশের বাজারে চাহিদা না থাকায় পলাশ মিয়াকে শ্রীমঙ্গলে ক্যাপসিকাম বিক্রি করতে হচ্ছে। আগামীতে তিনি ২৫শতক জায়গায় এ সবজি চাষ করার ইচ্ছা পোষন করেছেন। তিনি জানন সার্বক্ষনিক পরামর্শ প্রদান করেন ব্লকের উপ সহকারী কৃষি অফিসার অলক কুমার চন্দ। উঁনার পরামর্শে এ বছর বিষমুক্ত ও জৈব সার দিয়ে এক একর জমিতে শীম, লাউ, আলূ, ও টমেটোসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করেছেন।  এ ব্যাপারে অলিপুর ব্লকের উপ সহকারী কৃষি অফিসার, অলক কুমার চন্দ বলেন, বাজারের অন্যান্য সবজির তুলনায় ক্যাপসিকাম একটি উচ্চমূল্যের সবজি। সবজিটির চাহিদা বৃদ্ধি বা বাজারজাত করতে পারলে অত্র এলাকার কৃষকগণ এর দ্বারা সবজিটি সম্প্রসারণ করতে পারবে। এতে কৃষকেরা অর্থনৈতিকভাবে বেশী লাভবান হবেন। ক্যাপসিকাম চাষে পলাশ মিয়ার সাফল্য দেখে ঐ এলাকার কৃষকরা ক্যাপসিকাম চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। জেলা কৃষি বিভাগ কৃষকদেরকে এ ব্যাপারে পরামর্শ প্রদান করলে ক্যাপসিকাম সবজি অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com