মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শহরে চাঁদের হাসি হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ॥ গোলাম মোস্তফা রফিক’র মৃত্যু ॥ তদন্ত কমিটি গঠন ॥ আজ মঙ্গলবার ২টায় কেন্দ্রীয় ইদগাহে জানাযা ॥ বিভিন্ন মহলের শোক ১৮২ কোটি টাকার উন্নয়ন গ্রকল্প গ্রহণ হবিগঞ্জে হুইপ জি কে গউছের উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে পৌরসভা ও ৩ উপজেলা বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হুইপ জি কে গউছের শোক প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে চা শ্রমিকদের মাঝে ঘরের চাবি প্রদান করেন এমপি ফয়সল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু-কিশোরদের নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে কৃষি কাজের ট্রাক্টরে বডি সংযোজন করে বালু-মাটি পরিবহন বাহুবলে মুজতবা আলী স্মৃতি পরিষদের ‘মুজতবাচরিত’ প্রকাশনা উৎসব রেমা-কালেঙ্গায় বন বিভাগের অভিযান ॥ মুলি বাঁশ জব্দ বানিয়াচং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন

নবীগঞ্জের দাউদপুরে হামলা সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তেজনা ॥ আবারো রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা এলাকাবাসীর

  • আপডেট টাইম রবিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৪৩ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ নবীগঞ্জের দীঘলবাক ইউনিয়নের দাউদপুরে গামলা সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তপ্ত অবস্থা বিরাজ করছে। প্রতিপক্ষের দাবী যুবলীগ নেতা জুয়েল ও তার লোকজন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। যে কোনো সময় চোরাগুপ্তা হামলা সহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছেন এলাকাবাসী।
জানা যায়, গত ২১ মার্চ দুপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দাউদপুর গ্রামের মৃত আব্দুস শহিদ মিয়ার পুত্র দিনমজুর আলমগীর মিয়াকে জুয়েলের বাড়িতে নিয়ে মারপিট করা হয়। পরে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও পুলিশের সহায়তায় আলমগীরকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এর জের ধরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ১৫/২০ জন আহত হন। সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি এম মুজিবুর রহমান গুরুতর আহত হন। এমনকি সংবাদ প্রকাশের জের ধরে সাংবাদিক এম. মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামী করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক ও মানবাধিকার নেতৃবৃন্দ তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জ্ঞাপণ করেন। এনিয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকেও নিন্দা জানানো হয়।
এদিকে দীঘলবাক ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য ফখরুল ইসলাম জুয়েল ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে এলাকায় ও গ্রামের সাধারণ মানুষকে হামলা ও নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
সৃষ্ট বিরোধ মিমাংসা কল্পে ২৮ গ্রামের বিশিষ্ট সালিশ বিচারকগণ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ মানবাধিকার নেতৃবৃন্দ একাধিকবার চেষ্টা করেও জুয়েল কে সামাজিক বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ছালিক মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমরা স্থানীয় সামাজিক ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে একাধিকবার চেষ্টা করেছি বিষয়টি আপোষে মিমাংসা করার জন্য। কিন্তু ফখরুল ইসলাম জুয়েল ও তার লোকজন বিচার সালিশ অমান্য করেছেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। এ ব্যাপারে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন বিবিয়ানা শিল্পাঞ্চল হবিগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম খসরু বলেন, দাউদপুর গ্রামের সৃষ্ট বিরোধকে কেন্দ্র করে গ্রামটিতে মারাত্মকভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে আহত সাংবাদিক এম. মুজিবুর রহমান বলেন, হামলা ও সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে তিনি নিজেও গুরুতর আহত হন এবং যুবলীগ নেতা ফখরুল ইসলাম জুয়েল এর চাচা আওয়ামী লীগ নেতা মানিক মিয়ার পুত্র বহুল লিটন মিয়ার দায়েরকৃত ষড়যন্ত্র মূলক একটি মামলায় তাকে প্রধান আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। দাউদপুর গ্রামের বর্তমান পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ, জুয়েল ও তার লোকজন গ্রামের রাস্তাঘাটে অস্ত্র শস্ত্র সহকারে দিনে রাতে দল বেঁধে মহড়া দিয়ে অরাজকতা সৃস্টি করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার চেষ্টা করছে।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন বলেন, সাংবাদিক এম.মুজিবুর রহমান প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন, যাহাতে সংঘর্ষ না হয়, এমনকি সৃষ্ট বিরোধ সামাজিক ভাবে মিমাংসার স্বার্থে আন্তরিক ভাবে চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। তবে কেহ যদি মুজিবুর রহমানকে আসামী করে মামলা দেয়, এতে ওসির কিছু করার থাকেনা। তবে জুয়েল বাহিনীর লোকজন সামাজিক শালিস বিচার অমান্য করায় পরিস্থিতি উত্তাল বলেও তিনি স্বীকার করেন।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com