শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জে সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন সবজির দাম বেড়েছে ॥ জনদূর্ভোগ জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে অধ্যাপক কামরুল হাসান সভাপতি ও অ্যাডভোকেট জসিম সম্পাদক নির্বাচিত নবীগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে ৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা আজ বানিয়াচং মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন দীঘলবাগে কৃষকদল নেতা জামাল আ.লীগ নেতা শাহীদের বিরুদ্ধে আশ্রয়ন প্রকল্পে ঘর দখলের অভিযোগ শহরের বিভিন্ন বাজারে রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ নবীগঞ্জের চোখ হারানো আলিফের পরিবারের পাশে এনসিপি ॥ মায়ের খোঁজ নিলেন নেতৃবৃন্দ মাধবপুরে বিজিবির অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার বাহুবলের সাটিয়াজুরি বাজারে মাদকের বিরুদ্ধে জনতার প্রতিবাদ সমাবেশ মাধবপুরে মাদ্রাসা ছাত্রী অপহরণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ভিকটিম উদ্ধার

লাখাই উপজেলার কৃষ্ণপুর গণহত্যা দিবস পালিত

  • আপডেট টাইম রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৪৫২ বা পড়া হয়েছে

আবুল কাসেম, লাখাই থেকে ॥ লাখাই উপজেলায় কৃষ্ণপুর গ্রামে ১৯৭১ সালে ১৮ সেপ্টেম্বর রাজাকারের সহযোগিতায় পাকহানাদার বাহিনী ১২৭ জন গ্রামবাসীকে হত্যা করে। এই দিবসটি উপলক্ষে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গতকাল শনিবার ঐতিহাসিক কৃষ্ণপুর গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুরু হয়। পরে কৃষ্ণপুর বধ্যভূমিতে সকল শহীদের স্মরণে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লাখাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুশফিউল আলম আজাদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুহুল আমিন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম আলম, লাখাই থানার ওসি সাইদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ কৃষ্ণপুর কমলাময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ। প্রসঙ্গত ১৯৭১ সালে এই দিনে একসঙ্গে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাজাকারের সহযোগিতায় ১২৭ জন গ্রামবাসীকে হত্যা করেছিল পাকহানাদার বাহিনী। আহত হয়েছিলেন শতাধিক নারী-পুরুষ। সেই সময় এতো মরদেহ এক সঙ্গে সৎকারের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় পাশের নদীতে মরদেহগুলো ভাসিয়ে দিয়েছিলেন স্থানীয় নারীরা। সেই বিভীষিকাময় দিনের কথা মনে করে আজও কেঁপে ওঠেন অনেকে। লাখাই উপজেলার লাখাই ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামটি জেলার শেষ প্রান্তে অবস্থিত। যোগাযোগের তেমন ভালো মাধ্যম নেই। বর্ষায় নৌকা আর শুকনো মৌসুমে পায়ে হেটে চলাচল করতে হয়। গ্রামে শতকরা ৯৫ ভাগ লোকই হিন্দু-ধর্মাবলী। ১৯৭১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর স্থানীয় রাজাকারের সাহায্যে পাকহানাদার বাহিনী ভোর বেলায় হঠাৎ আক্রমণ চালায় ওই গ্রামে। এ সময় গ্রামের শতশত নারী-পুরুষ স্থানীয় একটি পুকুরের পানিতে ডুব দিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করেন। তবুও রক্ষা পাননি দুই শতাধিক নিরীহ গ্রামবাসী। পাক হানাদার বাহিনীর হাতে পালিয়ে থাকা গ্রামবাসীর মধ্যে ১২৭ জন ধরা পড়ে। এদের সবাইকে ব্রাশ ফায়ার করে মেরে ফেলা হয়।
প্রতি বছর ১৮ সেপ্টেম্বর আসলেই যুদ্ধাহত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানরা স্থানীয় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে দিনটি পালন করে থাকেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com