বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

২৫ বছর ধরে বালুর প্রাসাদে বাস যে রাজার

  • আপডেট টাইম রবিবার, ৩ মে, ২০২০
  • ৫৭৬ বা পড়া হয়েছে

এক্সপ্রেস ডেস্ক ॥ বালিয়াড়িতে প্রাসাদ! তাও আবার বালু দিয়ে নির্মিত! তো রূপকথার গল্প। কিন্তু তা যখন বাস্তব হয় তখন তো তা বিস্ময়েরই ব্যাপার। হ্যা, বাস্তব ঘটনাই এটা। যিনি বালুর প্রাসাদে টানা ২৫ বছর ধরে সেখানে বসবাস করছেন।
ব্রাজিলের রিও ডি জানেইরো নামে এক সৈকতে এমন এক সম্রাট রয়েছেন যিনি সেখানে বালিয়াড়িতে বালু দিয়ে প্রাসাদ গড়ে সেখানে দিব্যি বসবাস করছেন। তিনি ‘সৈকত সম্রাট’ হিসেবে পেয়েছেন খ্যাতিও। নাম “মার্সিও মিজায়েল মাতোলিয়াস”। তিনি গত ২৫ বছর ধরে সেই প্রাসাদে বসবাস করছেন এবং সেটি তিনি নিজেই তৈরি করেছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য মিররের’-এক প্রতিবেদনে এমন খবর বেরিয়েছে।
স্থানীয় লোকজন ৪৭ বছর বয়সী মাতোলিয়াসকে ‘দ্য কিং’ হিসেবে ডাকেন। তাঁর প্রিয় পেশা মাছ ধরা আর গলফ খেলা। তিনি বই পড়ে সময় কাটান। এজন্য স্থানীয় মানুষের কাছে তুমুল জনপ্রিয় এই কিং।
মাতোলিয়াস মাথায় প্লাস্টিকের মুকুট পরেন। হাতে রাখেন রাজদন্ড। বসেন সিংহাসনে আর ছবির জন্য পোজ দেন ভক্তদের। সেখানে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকেরা তাঁর ছবি তোলেন এবং আন্তরিকভাবে পর্যটকদের সঙ্গে মাতোলিয়াস আনন্দঘন সময় কাটান।
কিং মাতোলিয়াস গেল ২৫ বছর ধরে বসবাস করছেন এখানে। তাঁর প্রাসাদের নিচে একটি ছোট্ট ঘর রয়েছে যেখানে আছে ঘরভর্তি বই, গলফ খেলার ও মাছ ধরার সব রকমের সরঞ্জামাদী।
বৈবাহিক বন্ধনমুক্ত মাতোলিয়াস মিররকে বলেন, প্রচন্ড গরমে যখন বালু তপ্ত হয়ে ওঠে তা তিনি পরোয়া করেন না। রাতের বেলা অসীম সমুদ্র সৈকতে শুয়ে পড়েন। সমুদ্র যখন ফুঁসে ওঠে কিংবা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যায় তখন কেবল কোনও বন্হধুর বাড়িতে গিয়ে রাত কাটান। তবে বালু দিয়ে নির্মিত এ্ই রাজপ্রাসাদকে টেকাতে তাঁকে খুব পরিশ্রম করতে হয় প্রতিনিয়ত।
বাদশাহ মার্সিওর রাজপ্রাসাদ থাকলেও নেই কোনো কর্মচারী। তবে তার সাথে থাকে একটি কুকুর। বলতে গেলে সে-ই কুকুরটিই তার সেনাপতি। একাই প্রাসাদের দেখভাল করেন তিনি। প্রাসাদের বাইরে একটি সিংহাসনও রয়েছে। সেখানে প্রতিদিন তিনি বসেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের সঙ্গে কথা বলেন। মার্সিও বলেন, রিও ডি জেনিরিওর পাশে গুয়ানাবারা উপত্যকায় আমি বড় হয়েছি। আমি ছোটবেলা থেকেই সমুদ্র সৈকতে বাস করে আসছি। সমুদ্রের পাশে বাস করার জন্য মানুষ বহু অর্থ ব্যয় করে। কিন্তু আমি এখানে বিনা খরচে বসবাস করছি এবং ভালোই আছি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com