শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) এর জশনে জুলুছে লাখো জনতার ঢল সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্বে হুইপ জি কে গউছ হবিগঞ্জে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম প্রয়াণ দিবস পালিত মাধবপুরে অগ্নিকাণ্ডে ২৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাঁই ধুলিয়াখাল-মিরপুর সড়কে দুর্ঘটনায় যুবক নিহত আশুগঞ্জে ভারতীয় চোরাই শাড়িসহ চুনারুঘাটের দুই যুবক গ্রেফতার নবীগঞ্জের পরিচিত মুখ মারুফ মিয়া আর নেই চুনারুঘাটে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে জশনে জুলুশে ঈদে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী ও বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস মাধবপুরে র‌্যাবের অভিযান ॥ বিপুল পরিমান এসকাফসহ নারী আটক

নবীগঞ্জের চাঞ্চল্যকর জ্যোস্না হত্যা মামলায় ১৬ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ ॥ ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেছে ষড়যন্তকারীরা-মিজান

  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৮৫২ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ নবীগঞ্জের চাঞ্চল্যকর জ্যোস্না হত্যা মামলায় গতকাল অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহন করা হয়েছে। এ নিয়ে ওই মামলায় ১৬ জনের স্বাক্ষী গ্রহণ করা হয়েছে। চার্জশীট অনুযায়ী ওই মামলায় ৪৫জন স্বাক্ষী রয়েছেন। আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারী মামলার পরবর্তী স্বাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ। মামলার স্বাক্ষী গ্রহন অব্যাহত থাকলে দ্রুততম সময়ের মধ্যেই চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১০ ডিসেম্বর সাবেক কমিশনার যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান মিজানের বাড়ির সীমানা প্রাচীরের সামনে জোৎস্না বেগম নামে এক গৃহবধূর লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার উচাইল চারিনাও গ্রামে। এ ঘটনায় জোৎস্নার ভাই রজব আলী ফকির বাদী হয়ে সাবেক কমিশনার মিজানুর রহমান মিজানকে প্রধান আসামী করে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে নবীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। একাধিকবার তদন্ত শেষে একাধিক চার্জশীট আদালতে দাখিল করা হয়। সর্বশেষ মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় সিআইডির হাতে। সিআইডি’র সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বসু দত্ত চাকমা মামলার তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।
তদন্তে প্রকাশ পায়, কাউন্সিলর মিজানুর রহমানের সঙ্গে একই গ্রামের মহিউদ্দিন আহমেদ ওরফে সুফি মিয়া লন্ডনীর জায়গায় জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। কমিশনার মিজানুর রহমানকে ফাঁসানোর জন্য সুফি মিয়া আসামীদের নিয়ে বিভিন্ন ফন্দি করেন। এক পর্যায়ে ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে আসামীরা উক্ত হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটায়। এরই মধ্যে মামলায় আসামী ছদর মিয়া ও তাজ উদ্দিন বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তা দীর্ঘ তদন্ত শেষে পূর্বের চার্জশীটের অভিযুক্তদের বহাল রেখে পুনরায় বর্তমান পৌর কাউন্সিলর মোঃ জাকির হোসেনসহ ৭জনের বিরুদ্ধে ২০১৭ সনের ২ মে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।
চার্জশীটভূক্ত আসামীরা হচ্ছে-নবীগঞ্জের মদনপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ মিয়ার পুত্র আল-আমিন, মায়ানগর গ্রামের জামাল উদ্দিনের পুত্র ছদর মিয়া, একই গ্রামের মৃত টেনাই মিয়ার পুত্র জামির মিয়া ওরফে জমির, পুরুরোষত্তমপুর গ্রামের কুবাদ আলীর পুত্র তাজ উদ্দিন, গন্ধ্যা গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের পুত্র কানা আকবর উদ্দিন, একই গ্রামের মৃত হাজী সামছুদ্দিনের পুত্র মহিউদ্দিন আহমেদ ওরফে সুফি মিয়া লন্ডনী, মৃত আব্দুল লতিফ মাষ্ঠারের পুত্র কাউন্সিলর জাকির হোসেন।
কমিশনার মিজানুর রহমান মিজান বলেন, আমাকে ফাঁসাতে গিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা ফেঁসে গেছে। আমি ঘটনার সাথে সম্পৃক্তদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানাই।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com