শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) এর জশনে জুলুছে লাখো জনতার ঢল সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্বে হুইপ জি কে গউছ হবিগঞ্জে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম প্রয়াণ দিবস পালিত মাধবপুরে অগ্নিকাণ্ডে ২৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাঁই ধুলিয়াখাল-মিরপুর সড়কে দুর্ঘটনায় যুবক নিহত আশুগঞ্জে ভারতীয় চোরাই শাড়িসহ চুনারুঘাটের দুই যুবক গ্রেফতার নবীগঞ্জের পরিচিত মুখ মারুফ মিয়া আর নেই চুনারুঘাটে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে জশনে জুলুশে ঈদে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী ও বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস মাধবপুরে র‌্যাবের অভিযান ॥ বিপুল পরিমান এসকাফসহ নারী আটক

বাহুবলে চার শিশু হত্যা \ আবারও দুই আসামীর জামিন না মঞ্জুর

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ১১ মার্চ, ২০১৬
  • ৫৯১ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার \ বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের চার শিশু হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় কারাগারে থাকা দুই আসামী সাহেদ ও সালেহ আহমেদ এর জামিন না মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার আলম তাদের জামিন না মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, সুন্দ্রাটিকি গ্রামে ৪ শিশুকে হত্যার অন্যতম দুই আসামীর জামিন আবেদন করেন তাদের আইনজীবী। শুনানী শেষে বিজ্ঞ বিচারক তাদের জামিন না মঞ্জুর করেন। এর আগে মঙ্গলবার আব্দুল আলী বাগাল, আরজু মিয়া, জুয়েল মিয়া ও রুবেল মিয়ারও জামিন না মঞ্জুর করেন একই আদালত।
আসামী সাহেদ ১৬৪ ধারায় ঘটনার স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। এছাড়াও সালেহ আহমেদকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারী কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছেন এবং তার সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হয়েছেন। আসামীদের মাঝে আরজু মিয়া, জুয়েল মিয়া ও রুবেল মিয়া ইতোমধ্যে ১৬৪ ধারায় ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেছে। আব্দুল  আলী বাগালও ১০ দিনের রিমান্ড শেষে বর্তমানে কারাগারে আছে। তাকেই ঘটনার মূল নায়ক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। র‌্যাবের সাথে বন্দুক যুদ্ধে চুনারুঘাটে নিহত হয়েছে বাচ্চু। আসামী বিলাল মিয়া, উস্তার মিয়া ও বাবুল মিয়াকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্র“য়ারী শুক্রবার বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের মোঃ ওয়াহিদ মিয়ার পুত্র জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), তার চাচাত ভাই আব্দুল আজিজের পুত্র তাজেল মিয়া (১০) ও আবদাল মিয়ার পুত্র মনির মিয়া (৭) এবং তাদের প্রতিবেশী আব্দুল কাদিরের পুত্র ইসমাঈল হোসেন (১০) নিখোঁজ হয়। ওই দিন বিকেল বেলা তারা উত্তর ভাদেশ্বর গ্রামে ফুটবল খেলা দেখতে গিয়েছিল। এ ব্যাপারে পরদিন ওয়াহিদ মিয়া বাদী হয়ে বাহুবল থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। ১৪ ফেব্র“য়ারী মঙ্গলবার রাতে বাহুবল মডেল থানায় অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দায়ের করেন নিখোঁজ এক শিশুর পিতা। এই ঘটনার পর পুলিশের একাধিক টিম ও র‌্যাব মাঠে নামে ওই শিশুদের অনুসন্ধানে। ১৩ ফেব্র“য়ারী বিকেলে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ শিশুদের সন্ধানদাতাকে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা করা হয়। ১৪ ফেব্র“য়ারী  রাতে নিখোঁজ শিশু মনির মিয়ার পিতা আবদাল মিয়া বাদী হয়ে বাহুবল মডেল থানায় অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। ১৫ ফেব্র“য়ারী সকালে সুন্দ্রাটিকি গ্রামের দিন মজুর কাজল মিয়া প্রতিদিনের ন্যায় বাড়ি থেকে বেড় হয়ে করাঙ্গী নদীর পাশে মাটি কাটতে গিয়ে মাটি চাপা অবস্থায় ৪ শিশুর লাশ দেখতে পান। পরে লাশগুলো উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত শেষে ওই দিন রাতে দাফন করা হয়। এঘটনায় গাফিলতির কারনে বাহুবল থানার এক এসআইকে বরখাস্ত এবং ওসি তদন্তকে বরখাস্তের সুপারিশ করেছেন পুলিশ সুপার জয়দেব কুমার ভদ্র।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com