শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
চুনারুঘাটে র‌্যাবের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার বানিয়াচঙ্গে জুলাই আন্দোলনে শহীদ ৯ জনের কবর জিয়ারত করেছেন জেলা পরিষদ প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিব শহরে গ্যাসের চাপ কম দুর্ভোগে আবাসিক গ্রাহক নবীগঞ্জের সাংবাদিক গোলাম রাহমান লিমনের ডান হাত ও কোমরের সফল অস্ত্রোপচার শচীন্দ্র কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জের সাবেক এমপি শরীফ উদ্দিন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হবিগঞ্জ কালেক্টরেট চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী কল্যাণ কেন্দ্রের ১৭ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন বানিয়াচংয়ে কারিতাস বাংলাদেশের বন্যা পুনর্বাসন প্রকল্পের পরিচিতি সভা আতুকুড়া-সুবিদপুর শিক্ষা কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে মা সমাবেশ হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কে সিএনজি উল্টে আহত ২

নবীগঞ্জের পাশ্ববর্তী জয়নগর গ্রাম জোড়া খুনের মামলায় পুরুষ শূন্য

  • আপডেট টাইম বুধবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০১৬
  • ৯১৮ বা পড়া হয়েছে

কিবরিয়া চৌধুরী, নবীগঞ্জ থেকে \ নবীগঞ্জের পাশ্ববর্তী থানা জগন্নাথপুর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের জয়নগর গ্রাম পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। জোড়া খুনের পর দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতার এড়াতে বাড়ি ছেড়েছেন এই গ্রামের পুরুষরা। পুলিশ প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে তল­াশি চালাচ্ছে বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের। গত ১১ নভেম্বর বিল দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে ২ জন নিহতসহ উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৬০ জন আহত হন।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২০১৫ সালের ১১ নভেম্বর দুপুরে জয়নগর গ্রামে একটি বিল দখল নিয়ে গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী গিয়াস উদ্দিন ও দবির উদ্দিনের লোকজনের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ ও সংঘর্ষের ঘটনায় গিয়াস পরে নজরুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান নামের ২ জন নিহত হয়। এ ঘটনায় গিয়াস পক্ষের আব্দুল জলিল বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের ১১৫ জনকে আসামী করে জগন্নাথপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এদিকে দবির উদ্দিন পক্ষের আব্দুল ওয়াহিদ বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের ৮৭ জনকে আসামী করে আরেকটি পাল্টা মামলা দায়ের করেন। এ অবস্থায় দুই পক্ষই পৃথক মামলা দায়েরের ঘটনায় গ্রেফতার আতঙ্কে পুলিশের ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যান আসামীরা। জগন্নাথপুর থানায় এ দুইটি মামলা দায়েরের প্রায় এক মাস পর সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মামলাগুলো সুনামগঞ্জের ডিবি পুলিশে স্থানান্তর করা হয়। এ ব্যাপারে গিয়াস পক্ষের হত্যা মামলার বাদী আব্দুল জলিল অভিযোগ করে বলেন, শুনেছি বড় অংকের টাকার বিনিময়ে মামলার প্রকৃত আসামীদের মামলা থেকে বাদ দেয়া হতে পারে। যদি বাদ দেয়া হয়, তা হলে আমরা ন্যায় বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হব। প্রতিপক্ষের পাল্টা মামলার বাদী দবির উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় আমার পক্ষের ১১৫ জনকে আসামী করা হয়। ঘটনার দিন আমি বাড়িতে ছিলাম না। অথচ আমাকে মামলার প্রধান আসামী করা হয়েছে। তাদের হত্যা মামলা দায়েরের পর পুলিশের ভয়ে আমাদের লোকজন গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগে প্রতিপক্ষের লোকজন গ্রামে অরাজকতা সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষের লোকজন আমাদের বাড়িঘরে চুরি ও লুটপাট চালায় এবং নারী ও শিশুদের বিভিন্নভাবে হয়রানী ও নির্যাতন করছে। এছাড়া তাদের মামলায় আমার পক্ষের মোট ৭০ জন লোক সুনামগঞ্জের জেল হাজতে বন্দী আছেন। এ ব্যাপারে হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশের ওসি দুলাল হাসান জানান, এ মামলার তদন্তের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। ১টি হত্যাকাণ্ডের ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলেও আরেকটি বাকি রয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com