মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শহরে চাঁদের হাসি হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ॥ গোলাম মোস্তফা রফিক’র মৃত্যু ॥ তদন্ত কমিটি গঠন ॥ আজ মঙ্গলবার ২টায় কেন্দ্রীয় ইদগাহে জানাযা ॥ বিভিন্ন মহলের শোক ১৮২ কোটি টাকার উন্নয়ন গ্রকল্প গ্রহণ হবিগঞ্জে হুইপ জি কে গউছের উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে পৌরসভা ও ৩ উপজেলা বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হুইপ জি কে গউছের শোক প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে চা শ্রমিকদের মাঝে ঘরের চাবি প্রদান করেন এমপি ফয়সল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু-কিশোরদের নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে কৃষি কাজের ট্রাক্টরে বডি সংযোজন করে বালু-মাটি পরিবহন বাহুবলে মুজতবা আলী স্মৃতি পরিষদের ‘মুজতবাচরিত’ প্রকাশনা উৎসব রেমা-কালেঙ্গায় বন বিভাগের অভিযান ॥ মুলি বাঁশ জব্দ বানিয়াচং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন

হবিগঞ্জ শিশু পরিবারে অনিয়মের অভিযোগ ॥ ৪ শিশু হাসপাতালে

  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ৪২ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ শহরতলীর বহুলায় অবস্থিত সরকারি শিশু পরিবারে (বালক) দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বহীনতা এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকির অভাবে প্রতিষ্ঠানটিতে একের পর এক অনিয়ম ঘটলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। এরই ধারাবাহিকতায় এবার প্রতিষ্ঠানটির চার শিশু কাঁঠাল খেয়ে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
গতকাল সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে সরকারি শিশু পরিবারের আবাসিক চার শিশু কাঁঠাল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অসুস্থ শিশুরা হলো সিয়াম আহমেদ (৮), তৌহিদ মিয়া (৮), জুনেদ মিয়া (৯) ও হাবিব মিয়া (৯)। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে তাদের অবস্থা আশংকাজনক বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন। এ নিয়ে আলোচনা সমালোচনা চলছে।
জানা যায়, সোমবার বিকেলে শিশু পরিবারে থাকা শিশুদের নাস্তা হিসেবে কাঁঠাল দেওয়া হয়। কাঁঠাল খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই চার শিশু বমি, পেটব্যথাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের অবস্থার অবনতি হলে কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় শিশু পরিবারের খাদ্যের মান, সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং পরিবেশনের আগে খাবার পরীক্ষা করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানে খাদ্য সরবরাহ, শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিন ধরেই নানা ধরনের অনিয়ম চলে আসছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নিয়মিত পরিদর্শন ও কার্যকর তদারকি না থাকায় এসব অনিয়ম বন্ধ হচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজেদের খেয়ালখুশিমতো প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। যথাযথ নজরদারি ও জবাবদিহিতার অভাবে তারা বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়লেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। ফলে শিশুদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়ছে। অনেকেই অভিযোগ করেন শিশু পরিবারে বরাদ্দকৃত উন্নত খাবার দেয়া হয় না। এ ঘটনায় অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল উদ্বেগ প্রকাশ করে সরকারি শিশু পরিবারের সার্বিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে নিরপে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে খাদ্যের মান যাচাই, দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সে জন্য কঠোর তদারকি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। চিকিৎসক জানিয়েছেন গরমে কাঁঠাল খাওয়ায় ফুড পয়জনিং হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com