মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শহরে চাঁদের হাসি হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ॥ গোলাম মোস্তফা রফিক’র মৃত্যু ॥ তদন্ত কমিটি গঠন ॥ আজ মঙ্গলবার ২টায় কেন্দ্রীয় ইদগাহে জানাযা ॥ বিভিন্ন মহলের শোক ১৮২ কোটি টাকার উন্নয়ন গ্রকল্প গ্রহণ হবিগঞ্জে হুইপ জি কে গউছের উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে পৌরসভা ও ৩ উপজেলা বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হুইপ জি কে গউছের শোক প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে চা শ্রমিকদের মাঝে ঘরের চাবি প্রদান করেন এমপি ফয়সল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু-কিশোরদের নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে কৃষি কাজের ট্রাক্টরে বডি সংযোজন করে বালু-মাটি পরিবহন বাহুবলে মুজতবা আলী স্মৃতি পরিষদের ‘মুজতবাচরিত’ প্রকাশনা উৎসব রেমা-কালেঙ্গায় বন বিভাগের অভিযান ॥ মুলি বাঁশ জব্দ বানিয়াচং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন

জেলায় শীত বেড়েছে ॥ ঘন কুয়াশায় জনজীবন স্থবির

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৭৫ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ জেলায় প্রচণ্ড শীত, ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় জনজীবন অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে।
গতকাল বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল থেকে দিনভর সূর্যের দেখা মেলেনি। সড়ক ও মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। গ্রামাঞ্চলে মানুষ আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন ধরে হবিগঞ্জ জেলায় শীত, ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া বইছে। বুধবার ভোর রাত থেকে এই শীত, হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশার প্রভাব আরও বেড়েছে। এতে শীতে কাঁপছে হবিগঞ্জ জেলার মানুষ এবং হাওরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা। বিশেষ করে মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে পুলিশের সিগন্যালে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে গেছে হবিগঞ্জ জেলা শহরসহ প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল। এই শীতে গরিব ও অসহায় পরিবারের মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে। এছাড়া কৃষকেরাও মাঠে নামতে হিমশিম খাচ্ছেন।
জেলা ও উপজেলা শহরগুলোতে জনসমাগমও অনেকটা কমে গেছে। শহর ও গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজারে শীত নিবারণের পুরাতন কাপড়ের সংকট ও মূল্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এতে অসহায় পরিবারের মানুষ শীত নিবারণের কাপড় কিনতে পারছে না। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে এখনও শীতবস্ত্র বিতরণ তেমনভাবে শুরু হয়নি।
পৌষ মাসের কনকনে শীতে যবুথবু হাওরাঞ্চলসহ ছিন্নমূলের মানুষ। শীত বেড়ে যাওয়ায় গরম কাপড় কিনতে ছুটছেন ফুটপাতের কাপড়ের দোকানগুলোতে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের ভিড় বেশি এসব দোকানে। পৌর শহরের সিএনজি স্ট্যান্ড ও শ্মশানঘাট এবং থানার মোড়ে ফুটপাত এলাকায় বসেছে অস্থায়ী পুরাতন কাপড়ের দোকান। এসব দোকানে ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকার মধ্যে মিলছে শীতের পুরাতন কাপড়। আধা পুরাতন কাপড় পাওয়া যাচ্ছে ১৫০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে এবং নতুন কাপড় সাধারণত ২৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। ফুটপাতের কাপড় ফজলু মিয়া জানান, দেশি-বিদেশি নতুন ও পুরাতন সব ধরনের কাপড় পাওয়া যাচ্ছে এখানে। তিনি জানান, চট্টগ্রাম থেকে দুই সপ্তাহ আগে মাল এনেছেন এবং গত দুই দিন ধরে বেচাকেনা বেশ ভালো হচ্ছে। ফুটপাতের পাশাপাশি মার্কেটের কাপড়ের দোকানগুলোতেও বেচাকেনার ভিড় বেড়েছে। এসব দোকানে হুডি, মোটা গেঞ্জি, জ্যাকেট, সুয়েটার, মেয়েদের কার্ডিগান, শর্ট কোর্ট, বেলবেড জ্যাকেট, ডেনিম শার্ট, বাচ্চাদের শীতের জামা, কানটুপি, মাফলার ও মোজাসহ নানা ধরনের শীতবস্ত্র বিক্রি হচ্ছে। দাম যাচাই করে দেখা গেছে, হুডি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, মোটা গেঞ্জি ২০০ থেকে ৩৫০ টাকা, মেয়েদের কার্ডিগান ৫০০ থেকে ১০০ টাকা, সুয়েটার ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, মোটা জ্যাকেট ৫০০ থেকে ১০০০টাকা, কানটুপি ৬০ থেকে ১৫০ টাকা, মাঙ্কি টুপি ৫০ থেকে ১০০ টাকা, শর্ট কোর্ট ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা, শিশুদের শীতের পোশাক ৫০০ থেকে ১০০০টাকা এবং পা মোজা ৩০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com