মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শহরে চাঁদের হাসি হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ॥ গোলাম মোস্তফা রফিক’র মৃত্যু ॥ তদন্ত কমিটি গঠন ॥ আজ মঙ্গলবার ২টায় কেন্দ্রীয় ইদগাহে জানাযা ॥ বিভিন্ন মহলের শোক ১৮২ কোটি টাকার উন্নয়ন গ্রকল্প গ্রহণ হবিগঞ্জে হুইপ জি কে গউছের উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে পৌরসভা ও ৩ উপজেলা বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হুইপ জি কে গউছের শোক প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে চা শ্রমিকদের মাঝে ঘরের চাবি প্রদান করেন এমপি ফয়সল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু-কিশোরদের নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে কৃষি কাজের ট্রাক্টরে বডি সংযোজন করে বালু-মাটি পরিবহন বাহুবলে মুজতবা আলী স্মৃতি পরিষদের ‘মুজতবাচরিত’ প্রকাশনা উৎসব রেমা-কালেঙ্গায় বন বিভাগের অভিযান ॥ মুলি বাঁশ জব্দ বানিয়াচং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন

কালনী গ্রামে থামছে না ভাংচুর ও লুটপাট ॥ আসামীরা ধরাছোয়ার বাহিরে

  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৫৭ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ সদর উপজেলার কালনী গ্রামে দু’পক্ষের সংঘর্ষে প্রবাসী কাজী দিপু নিহতের ঘটনায় প্রতিপক্ষের পুরুষ শূন্য বাড়িতে অব্যাহত ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলেও কোন রকমেই লুটপাট থামছে না। লুটপাটের মামলার আসামীদেরও রহস্য জনক কারণে গ্রেফতার না করায় বাদী পক্ষের মাঝে ক্ষোভ ও অন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, কালনী গ্রামের কাজী ফরিদ মিয়া এবং ইউপি মেম্বার লুৎফুর রহমান শাস্তু মিয়ার গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জের ধরে গত ২২ জানুয়ারি বিকেলে উভয় পক্ষের লোকজনের মাঝে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে কাজী ফরিদ মিয়ার পক্ষের কাজী দিপু মিয়া নিহত হন। আর উভয় পক্ষের ৩০ জন আহত হন। দিপু মিয়া নিহতের ঘটনার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে ইউপি মেম্বার লুৎফুর রহমান শাস্ত মিয়ার পক্ষের লোকজন পুলিশের গ্রেফতার এড়াতে বাড়িঘর ছেড়ে আত্ম গোপনে চলে যান। ঘটনার পর থেকেই কাজী ফরিদ মিয়ার পক্ষের লোকজন ইউপি সদস্য সাস্তু মিয়া পক্ষের ৪০/৪৫টি বাড়ি ভাংচুর করেছে এবং এসব বাড়ি থেকে ধান, চাল, গরু, ছাগল, হাঁস, মোরগ, স্বর্ণলংকার, আসবাবপত্রসহ প্রায় কোটি টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় ৬ জানুয়ারি ৭৮ জন আসামী করে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় ইউপি সদস্য লুৎফুর রহমান সাস্তুর স্ত্রী মাজেদা আক্তার বাদী হয়ে লুটপাট মামলা দায়ের করলেও পুলিশ রহস্য জনক কারণে আসামী গ্রেফতার না করায় এ নিয়ে মামলার বাদী পক্ষের মধ্যে অন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার বাদী মাজেদা আক্তার জানান, মামলা দায়ের পরও বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট হচ্ছে। গতকাল রাত আমাদের পক্ষের ভাংচুরকৃত বাড়ি থেকে এখন টিন খুলে নিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে পুলিশ জানালে হলেও তারা যাই যাচ্ছি বলে সময় কর্তন করেন। অথচ কালনী সদর থানার নিকটবর্তী একটি গ্রাম। এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর কবির বলেন, বর্তমানে ভাংচুরের ঘটনা ঘটনা ঘটে নাই। পুলিশ এখনও ঘটনাস্থলে রয়েছে। যখনই সংবাদ পাই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ যাওয়ার পর লুটপাটকারীদের ঘটনারস্থলে পাওযা যাচ্ছে না। তবে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com