মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শহরে চাঁদের হাসি হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ॥ গোলাম মোস্তফা রফিক’র মৃত্যু ॥ তদন্ত কমিটি গঠন ॥ আজ মঙ্গলবার ২টায় কেন্দ্রীয় ইদগাহে জানাযা ॥ বিভিন্ন মহলের শোক ১৮২ কোটি টাকার উন্নয়ন গ্রকল্প গ্রহণ হবিগঞ্জে হুইপ জি কে গউছের উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে পৌরসভা ও ৩ উপজেলা বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হুইপ জি কে গউছের শোক প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে চা শ্রমিকদের মাঝে ঘরের চাবি প্রদান করেন এমপি ফয়সল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু-কিশোরদের নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে কৃষি কাজের ট্রাক্টরে বডি সংযোজন করে বালু-মাটি পরিবহন বাহুবলে মুজতবা আলী স্মৃতি পরিষদের ‘মুজতবাচরিত’ প্রকাশনা উৎসব রেমা-কালেঙ্গায় বন বিভাগের অভিযান ॥ মুলি বাঁশ জব্দ বানিয়াচং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন

হবিগঞ্জের শংকর পাল ও মাধবপুরে মোশাররফের রাইসমিলের জামানতের ২৫ লাখ টাকা বাজেয়াপ্ত

  • আপডেট টাইম সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২২২ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জে বোরো মৌসুমে সরকারের সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী চাল সরবরাহ না করায় দুই রাইসমিল মালিকের (মিলার) জামানতের ২৫ লাখ টাকা বাজেয়াপ্ত হতে যাচ্ছে। গতকাল রবিবার (৬ অক্টোবর) হবিগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক চাই থোয়াই প্রু মার্মা এ তথ্য দেন। চুক্তি ভঙ্গকাররী ব্যবসায়ীরা হলেন- জেলা সদরের এসএন অটো রাইসমিলের স্বত্বাধিকারী শংকর পাল ও মাধবপুর উপজেলায় বেলঘর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মানহা অটো রাইসমিলের স্বত্বাধিকারী মোশাররফ হোসেন চৌধুরী। শংকর পালের মিল থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে সরকারের গুদামে এক হাজার ৩৪৮ টন ও মোশাররফের মিল থেকে এক হাজার ৩১৩ টন সেদ্ধ চাল সরবরাহ করার কথা ছিল। কিন্তু মোশাররফ মাত্র ৪৮ টন অর্থাৎ এক শতাংশের কম ধান সরবরাহ করেন। অন্যদিকে শংকর পাল কোনো চাল সরবরাহ করেননি। যেসব মিলার চাল সরবরাহে ব্যর্থ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সম্প্রতি নির্দেশ দিয়েছে খাদ্য অধিদপ্তর। চুক্তির পরিমাণের ৬০ শতাংশের কম চাল সরবরাহকারী মিলগুলোর জামানত বাজেয়াপ্ত করার কথা নির্দেশনায় বলা আছে। তারা শাস্তিস্বরূপ আগামী দুই মৌসুমের জন্য সরকারি গুদামে ধান সরবরাহের সুযোগ পাবেন না। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক চাই থোয়াই প্রু মার্মা জানান, শংকর পালের প্রায় ১২ লাখ ১৩ হাজার ২০০ টাকা এবং মোশাররফ হোসেন চৌধুরীর ১১ লাখ ৮১ হাজার ৭০০ টাকা জামানত রয়েছে। প্রতিজনের দুই থেকে তিন হাজার বস্তা বাবদ জামানতের আরও কিছু টাকা আছে। এসব টাকা সরকারি কোষাগারে বাজেয়াপ্ত করা হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা জানান, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে শংকর পাল চাল সরবরাহ করতে পারেননি এমন কারণ দেখিয়ে জামানতের ১২ লাধিক টাকা রক্ষা করার চেষ্টা করছেন।
এদিকে জেলার চুনারুঘাটের ফাহিম অটোমেটিক রাইসমিলের মালিক দুই হাজার ৩২৮ টন চাল সরবরাহের কথা থাকলেও তিনি ৮৫ শতাংশ অর্থাৎ এক হাজার ৯৯৬ টন সরবরাহ করেছেন। চুক্তির পরিমাণের ৬০ শতাংশের বেশি পরিমাণ সরবরাহকারী হিসেবে বিশেষ বিবেচনায় তার জামানত অবমুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com