বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

নবীগঞ্জে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী গতি গোবিন্দ শহীদ পরিবারের সন্তান নন বলে অভিযোগ ॥ আমার দাদা, বাবা, ভাই মুক্তিযুদ্ধের সময় মারা যান-গতি গোবিন্দ

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ৯ মে, ২০২৪
  • ২৩১ বা পড়া হয়েছে

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী গতি গোবিন্দ দাশ নিজেকে শহীদ পরিবারের সন্তান দাবী করা তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিট কমান্ডার বরাবরে দুর্গাপুর গ্রামবাসী লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগকারী বিশ্বজিৎ দাশ, কালিপদ দাশ, লোকেশ দাশ, হরিধন দাশ, কৌশিক দাশ, অঞ্জন দাশ, কানাই দাশ, মৃত্যুঞ্জয় দাশ, রিন্টু দাশ ও বানী কান্ত দাশ গংরা লিখিত অভিযোগে বলেন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী গতি গোবিন্দ্র দাশ ও আবেদনকারীরা একই গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিজেকে একজন শহীদ পরিবারের সন্তান হিসেবে দাবী করে নির্বাচনী প্রচারনায় ব্যানার, পেস্টুন ও পোস্টারে শহীদ পরিবারের সন্তান হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি তার দাদা, বাবা ও ভাই শহীদ হয়েছেন মর্মে উল্লেখ করেন। যা মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও তথ্য প্রমানবিহীন বক্তব্য। তিনি নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য মিথ্যা অপ-প্রচার করে আসতেছেন। এলাকার বয়োবৃদ্ধ মুরুব্বীয়ানদের তথ্য মতে গতি গোবিন্দ দাশের দাদা মুক্তিযুদ্ধের অনেক পূর্বেই মারা যান, বাবা বয়স্ক অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মারা যান, এমনকি তার কোন ভাই বোন নাই বা ছিলনা। তিনি তাহার পিতা মাতার একমাত্র সন্তান। তিনি বা তার পরিবারের কেউ মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ না করা ০সত্ত্বেও নিজেকে শহীদ পরিবারের সন্তান হিসেবে দাবী করে এলাকায় বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডঃ গতি গোবিন্দ দাশের সাথে যোগাযোগ করা হরে তিনি জানান, প্রতিহিংসাবশতঃ আমার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়েছে। ১৯৭১ সনের আগষ্ট মাসে আমাদের গ্রামে পাকবাহিনী ও রাজাকাররা হামলা করতে পারে এ খবরে আমরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে ভারত সীমান্তে চলে যাই। আমরা বাড়ি থেকে বের হবার পরপরই আমাদের বাড়িতে রাজাকাররা হামলা ও লুটপাট চালায়। তিনি বলেন, ভারত সীমান্তের কাঠালবাড়ি এলাকায় যাবার পর আমাদের জন্য খাবারের জিনিস আনার জন্য আমার বাবা বের হয়ে যান। আমরা এ সময় গুলাগুলির শব্দ পেয়েছি। পরে আমার বাবা আর ফিরে আসেননি। অনেক খোজাখুজি করেও পাকবাহিনীর হাতে নিহত অনেক লাশের ভীরে আমার বাবার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। আমার ভাই এবং দাদাও মারা যান। আমার কাকাও একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তাই আমি শহীদ পরিবার ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান এটাই সত্য।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com