বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

নবীগঞ্জে সবজি ব্যবসায়ী লিটন হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৪০৯ বা পড়া হয়েছে

নবীগঞ্জ ব্যুরো ॥ নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জে নিখোঁজের ৩দিন পর বিবিয়ানা নদী থেকে সবজি ব্যবসায়ী লিটন মিয়ার (৪৮) লাশ উদ্ধারের ২ দিন পর মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নবীগঞ্জ থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা (নং ১৬) দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদী হয়েছেন নিহত লিটন মিয়ার ভাই মোঃ সালেহ আহমদ। এদিকে লিটন মিয়ার মৃত দেহ উদ্ধারের সময় স্থানীয় চেয়ারম্যান নোমান হোসেনকে নিহতের আত্মীয়-স্বজনরা গণধোলাই দেয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গণধোলাইয়ে আহত চেয়ারম্যান সিলেট একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যসমত গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের পুত্র। লিটন মিয়া ইনাতগঞ্জ বাজারের প্রতিষ্টিত সবজি ব্যবসায়ী। গত বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ব্যবসা শেষে আর বাড়ি ফিরেনি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। পরিবারের লোকজন সহ আত্মীয় স্বজন অনেক খোঁজাখঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। এক পর্যায়ে নিখোজ লিটনের ভাই নবীগঞ্জ থানায় শুক্রবার রাতে সাধারন ডায়েরী করেন।
এদিকে শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা গ্রামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত বিবিয়ানা নদীতে (মরা নদী) স্থানীয় লোকজন ভাসমান অবস্থায় লিটন মিয়ার লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডালিম আহমেদ, ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির ইনচার্জ কাওসার আহমেদসহ পুলিশ ঘটনাস্থ’লে পৌছে লাশ উদ্ধার করেন। এ সময় স্থানীয় চেয়ারম্যান নোমান হোসেন ঘটনাস্থলে গেলে নিহতের পরিবার পরিজন বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। তারা হত্যাকান্ডের জন্য চেয়ারম্যানকে দায়ী করে মারধর করে। এ পর্যায়ে গণধোলাইয়ের শিকার হন চেয়ারমান নোমান হোসেন। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
নিহত লিটনের ভাই সালেনুর মিয়া জানান, পুর্ব আক্রোশে তার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে বৃহস্পতিবার রাতে অপহরণ করে একদল দুর্বৃত্ত হত্যা করেছে। তিনি বলেন, চেয়ারম্যান নোমান হোসেন নিখোজের প্রথম দিন রাতেই জানতেন নিহত লিটন মিয়া কসবা বাজারে জুবেল মিয়ার দোকানে রয়েছে। এই খবর চেয়ারম্যানকে জুবেল মিয়ার ভাই রুবেল ফোনে জানিয়েছেন। চেয়ারম্যান নোমান হোসেন খবরটি জানার পর লিটন মিয়ার বাড়িতে জানালে অথবা নিজে দায়িত্ব নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে হয়তো বা লিটনের হত্যাকান্ডের ঘটনা সংঘটিত হতো না।
এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান নোমান হোসেন বৃহস্পতিবার রাত ১.৩৫ ঘটিকায় রুবেল মিয়া ফোনে তাকে জানিয়েছেন জুবেল মিয়ার দোকানে লিটন মিয়াকে আটকে রাখার খবর দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com