শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) এর জশনে জুলুছে লাখো জনতার ঢল সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্বে হুইপ জি কে গউছ হবিগঞ্জে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম প্রয়াণ দিবস পালিত মাধবপুরে অগ্নিকাণ্ডে ২৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাঁই ধুলিয়াখাল-মিরপুর সড়কে দুর্ঘটনায় যুবক নিহত আশুগঞ্জে ভারতীয় চোরাই শাড়িসহ চুনারুঘাটের দুই যুবক গ্রেফতার নবীগঞ্জের পরিচিত মুখ মারুফ মিয়া আর নেই চুনারুঘাটে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে জশনে জুলুশে ঈদে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী ও বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস মাধবপুরে র‌্যাবের অভিযান ॥ বিপুল পরিমান এসকাফসহ নারী আটক

নবীগঞ্জে খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে কৃষকদের হয়রানীর অভিযোগ

  • আপডেট টাইম রবিবার, ৩১ জুলাই, ২০২২
  • ২৫৯ বা পড়া হয়েছে

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ জসিম উদ্দিনের বিরোদ্ধে গুদামে ধান বিক্রি করা কৃষকদের বিভিন্ন হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে। গুদামে ধান বিক্রি করার পান্ত্রিক কৃষকরা সময় মত ধান বিক্রির টাকা পাওয়া সহ খাদ্য নিয়ন্ত্রক জসিম উদ্দিন সরকারের হয়রানী বন্ধেরজন্য খাদ্য অধিদপ্তর মহা পরিচালক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জে খাদ্য গুদামে ঘুষ ছাড়া কৃষকের ধান বিক্রির বিল পরিশোধ করেন না উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ জসিম উদ্দিন। চলতি বোরো মৌসুমে ধান সংগ্রহে ও বিল পরিশোধে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কৃষকদের বাদ দিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ধান কেনার ও খাদ্য বান্ধব, ওএমএস, ডিলার নিয়োগ, খাদ্য সামগ্রী লাইসেন্স ইস্যুতে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত ফি আদায় করার অভিযোগ রয়েছে মোঃ জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে।
সারা দেশের মতো নবীগঞ্জেও ধানের বাজারের অস্তিরতা বিরাজ করছে। অস্তির সময়ে ঘুষ, কৃষকদের সঙ্গে অসৎ আচরণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে খাদ্যমন্ত্রী, মহাপরিচালক খাদ্য অধিদপ্তর, মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগীয় খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার, উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে অনুলিপি দেয়া হয়েছে। কৃষকদের পক্ষে আশিকুল, আলী হায়দার, মোঃ আজম আলী, এমরুল আমিন, মতিউর রহমান, খালেদ মোশারফ, আহমদ রেজাসহ ৭ জনের স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
কৃষকরা জানান স্থানীয় খাদ্য গুদামে সরকারী নিয়ম নীতি মেনে তারা ধান বিক্রি করেন। ধানের বিল পরিশোধের সময় আসলেই উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ জসিম উদ্দীন বিভিন্ন তাল-বাহানা শুরু করেন। কৃষকদের সাথে খারাপ আচরণও করেন খাদ্য নিয়ন্ত্রক এবং সময় মত তিনি অফিস করেন না। ধান বিক্রির টাকার জন্য সব কাজ ফেলে অফিসে গিয়ে কৃষকরা বসে থাকতে হয় তার জন্য সারাদিন চলে গেলে উনাকে অফিসে পাওয়া যায় না। অফিসে তিনি তার ইচোছমত আসেন এবং চলে যান। কৃষক ও অভিযোগকারী আলী হায়দর বলেন অন্য সময় আমার গুদামে ধান দিলে ৫/৭ দিনের মধ্যে টাকা পেয়ে যেতাম এখন ১৫/২০দিন পর ও টাকা পাই না। তার অফিসে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয়না এ কারনে অনেক কৃষক অভিমানে গুদাম থেকে ধান নিয়ে আড়তে বিক্রি করেছেন। কৃষক আশিকুল জানান তিনি অসুস্থতার জন্য নিধারিত তারিখের ৩ তিন পর আসায় তিনি ঘুষ দিয়ে তার বিল নিয়েছেন।
এ ব্যাপারে জসিম উদ্দিন বলেন আমার বিরোদ্ধে অভিযোগকারী এখনও গুদামে ধান দেয় নাই। আমার বিরোদ্ধে অভিযোগকারী সকল কৃষক একই ইউনিয়নের এটা আমার বিরোদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। তার বিরোদ্ধে অভিযোগ সম্পূর্ন মিথ্যা এবং তাকে নাজেহাল করার জন্য অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীকে তিনি দায়ী করেছেন।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা শেখ মহি উদ্দিন বলেন, অভিযোগ আমার কাছে করেননি। তবে অভিযোগটি দেখেছি আমার কাছে মনে হচ্ছে এটি পরিকল্পিত হয়রানি মূলক অভিযোগ। অভিযোগ তদন্ত করে যদি উনি দোষী প্রমাণিত হন তাহলে প্রসাশনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com