মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শহরে চাঁদের হাসি হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ॥ গোলাম মোস্তফা রফিক’র মৃত্যু ॥ তদন্ত কমিটি গঠন ॥ আজ মঙ্গলবার ২টায় কেন্দ্রীয় ইদগাহে জানাযা ॥ বিভিন্ন মহলের শোক ১৮২ কোটি টাকার উন্নয়ন গ্রকল্প গ্রহণ হবিগঞ্জে হুইপ জি কে গউছের উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে পৌরসভা ও ৩ উপজেলা বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হুইপ জি কে গউছের শোক প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে চা শ্রমিকদের মাঝে ঘরের চাবি প্রদান করেন এমপি ফয়সল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু-কিশোরদের নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে কৃষি কাজের ট্রাক্টরে বডি সংযোজন করে বালু-মাটি পরিবহন বাহুবলে মুজতবা আলী স্মৃতি পরিষদের ‘মুজতবাচরিত’ প্রকাশনা উৎসব রেমা-কালেঙ্গায় বন বিভাগের অভিযান ॥ মুলি বাঁশ জব্দ বানিয়াচং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন

শহরে এক্সরে জালিয়াতির ঘটনায় প্রতারক চক্রের দুই সদস্যের রিমান্ড মঞ্জুর

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৪১৯ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ শহরের সদর হাসপাতালের পাশে কোরেশনগর এলাকার কনসালটেন্ট ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে এক্সরে জালিয়াতির ঘটনায় আটক প্রতারক চক্রের দুই সদস্যের রিমা- মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল রবিবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাহুবল মডেল থানার এসআই জসীম উদ্দিন জানান, মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি মো. আলকাছ মিয়া ও ৬ নম্বর আসামি মোঃ ছাদেক মিয়ার রিমা- মঞ্জুর করা হয়েছে। তিনি জানান, জালিয়াতি ও প্রতারণার ঘটনায় গত ১৭ ডিসেম্বর বাহুবল মডেল থানার এস আই ফুয়াদ আহমেদ বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো অনেক জনের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় কারাগারে থাকা আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ৫ দিনের জন্য রিমা- চেয়ে আবেদন করা হয়। ৩০ জানুয়ারি আবেদনের শুনানী হয় এবং তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হারুনুর রশীদ ১ দিনের রিমা- মঞ্জুর করেন। এছাড়া মামলার বাকী আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
এদিকে একটি সূত্র জানিয়েছে, শহরের কোরেশনগর এলাকার কনসালটেন্ট ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের নিকট আরেকটি ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ও ফিজিওথেরাপি রয়েছে। ওই সেন্টারের মালিকও এসব জালিয়াতি ব্যবসার সাথে জড়িত। তাদের যোগসাজশেই কনসালটেন্ট ডায়াগনষ্টিক সেন্টার থেকে ভূয়া এক্সরে রিপোর্ট ও ফিলিম তৈরি করা হয়। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জ শহর ও আশপাশে থাকা বিভিন্ন ক্লিনিক ভূয়া এক্সরে রিপোর্ট দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্ত করে আসছে। বিনিময়ে তারা মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। এসব এক্সরে রিপোর্টের কারণে অনেক নিরপরাধ লোককে কারাগারে বাস যেতে হচ্ছে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর বাহুবল উপজেলার পূর্বজয়পুর গ্রামের আখলাছ মিয়া বাদি হয়ে মামলা করেন। এরপর মামলার আসামি জাহাঙ্গীর মিয়া আদালতে হাজির হয়ে দরখাস্ত দিয়ে জখমীদের ইনজুরি জাল ও ভূয়া বলে অবগত করেন। আদালত এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বাহুবল থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ দেন।
পুলিশ তদন্ত শেষে জখমী সাদেক মিয়া, আকলাছ মিয়াসহ অন্যান্যদের এক্সরে রিপোর্ট (ফিলিম) জাল ও ভূয়া বলে উল্লেখ করে প্রতিবেদন দেন। বিচারক প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে জালিয়াত ও প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে মামলা রুজুর জন্য বাহুবল থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com