শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) এর জশনে জুলুছে লাখো জনতার ঢল সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্বে হুইপ জি কে গউছ হবিগঞ্জে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম প্রয়াণ দিবস পালিত মাধবপুরে অগ্নিকাণ্ডে ২৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাঁই ধুলিয়াখাল-মিরপুর সড়কে দুর্ঘটনায় যুবক নিহত আশুগঞ্জে ভারতীয় চোরাই শাড়িসহ চুনারুঘাটের দুই যুবক গ্রেফতার নবীগঞ্জের পরিচিত মুখ মারুফ মিয়া আর নেই চুনারুঘাটে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে জশনে জুলুশে ঈদে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী ও বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস মাধবপুরে র‌্যাবের অভিযান ॥ বিপুল পরিমান এসকাফসহ নারী আটক

খোশ আমদেদ মাহে রমজান ॥ আজ ১১ রমজান

  • আপডেট টাইম শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১
  • ৫২৩ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আজ ১১ রমজান। আজ রমজানের মাগফিরাত দশকের শুরু হয়েছে। হাদিস শরীফে আছে, ওয়া আওসাতুহু মাগফিরাতুন’ আর তার (রমজানের) মধ্যভাগ মাগফিরাত। মাগফিরাত অর্থ ক্ষমা। গাফুর, গাফ্ফার, আফউ প্রভৃত্তি আল্লাহর গুণবাচক নাম সমূহের অর্থ ক্ষমাশীল, ক্ষমাকারী।
হাদীস শরীফে আছে- মান সমা রমাদানা ইমানান ওয়া ইহতিশাবান গুফিরালাহু মা তাকাদদামা মিন যানবিহি যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াব পাবার আশায় রমজানে সিয়াম রাখবে, তার পূর্ববর্তী গুণাহগুলো ক্ষমা করে দেয়া হবে। মানবজাতির আদি পিতা হযরত আদম আলায়হিস সালাম ও আদি মাতা হযরত হাওয়া (আঃ) সালাম শয়তানের প্ররোচনায় নিষিদ্ধ গাছের ফল খেয়ে জান্নাতচ্যুত হয়ে পৃথিবীতে এসেছিলেন। তাঁরা কয়েক’শ বছর কাকুতি-মিনতি করে তওবা ইসতিগফার করায় আল্লাহ জাল্লা শানুহু তাঁদের তওবা কবুল করেন। কুরান মজিদে ইরশাদ হয়েছে ঃ অতপর আদম (আঃ) তার রবের নিকট হতে কিছু বাক্য প্রাপ্ত হলো। আল্লাহ তাঁর প্রতি ক্ষমা পরবশ হলেন। নিশ্চয়ই তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু (সূরা বাকারা ঃ আয়াত ৩৭) হযরত আদম (আঃ) সালাম যে বাক্যটি পাঠ করে কাকুতি-মিনতি সহকারে ক্ষমার জন্য কান্নাকাটি করেছিলেন তা হচ্ছে ঃ রাব্বানা জলা মনা আন ফুসানা ওয়া উন্নাম তাগফিরলানা ওয়া তারহামনা লানা কুনান্না মিনাল খাসিরীন- হে আমার রব, আমরা আমাদের নিজেদের উপর জুলুম করেছি। আপনি যদি আমাদের ক্ষমা না করেন, আর যদি আমাদের প্রতি দয়া না করেন তাহলে তো আমরা একেবারেই ক্ষতিগ্রস্থদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাবো। এই দোয়া পাঠ করতে করতে হযরত আদম (আঃ) প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের উসিলা দিয়ে যখন ক্ষমা চাইলেন তখন আল্লাহু জাল্লাশানুহু ক্ষমা করে দিলেন। ইলমে তাসাওউফে তওবার ফয়েজ নামে একটি অনুশীলন অধ্যায় রয়েছে। প্রথমে বিসমিল্লাহ সহ তিন বার সুরা ফাতিহা, দশ বার সূরা এখলাস, এগারো বার দরুদ শরীফ, সাত বার আস্তাগফিরুল্লাহ পাঠ করে সওয়াব রিসানি করার পর কলবের দিকে খেলায় করে নিয়ত করতে হয় ঃ আমি আমার কলবের দিকে মুতাওয়াজ্জাহ্ আছি, আমার কবল হযরত পীর সাহেব কেবলার কলবের উসিলায় আল্লাহ্ তায়ালার আরশের দিকে মুতাওয়াজ্জাহ আছে। আল্লাহতায়ালার আরশ মুবারক হতে তওবার ফয়েজ আমার কলবে আসুক। হযরত আদম আলায়হিস সালামের এবং মা হাওয়া আলায়হিস সালামের যেমন তওবা নসিব হয়েছিল হে আল্লাহ! আমারও সেইরূপ তওবা নসিব করুন। নিয়ত করে কলবের দিকে গভীরভাবে মনোনিবেশ করে নিঃশব্দে ওপরের দোয়াটি পড়তে হয় এবং এর অর্থের প্রতি খেয়াল রেখে জীবনের প্রতিটি গোনাহর কথা মনে করে কান্নাকাটি করতে হয়। হাদিস শরীফে আছে, গোনাহর কথা স্মরণ করে কাঁদ, যদি কান্না না আসে তাহলে কান্নার ভান করে হলেও কাঁদ।
কোরান মজিদে ইরশাদ হয়েছে ঃ তোমরা আল্লাহর নিকট তওবা কর, বিশুদ্ধ তওবা (সূরা তাহরিম ঃ আয়াত ৮)।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com