বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

বদিউজ্জামান খান সড়কের নামফলক অপসারণ স্থগিত চেয়ে আবেদন

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই, ২০১৭
  • ৬৮৫ বা পড়া হয়েছে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ॥ হবিগঞ্জ শহরের ‘বদিউজ্জামান খান সড়ক’-এর নামফলক অপসারণ স্থগিত ও ফলকটি বহাল রাখার আবেদন জানিয়ে জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে বদিউজ্জামান খানের পরিবার ও হবিগঞ্জের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একটি প্রতিনিধিদল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন করেন। জেলা প্রশাসক সাবিনা আলম আবেদনপত্র গ্রহণ করেন ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন। আবেদনপত্র হস্তান্তরকালে উপস্থিত ছিলেন প্রয়াত বদিউজ্জামান খানের কনিষ্ঠ পুত্র মোঃ রফিকুজ্জামান খান, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিকর্মী সিদ্দিকী হারুন ও তারেক খান প্রমুখ।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বদিউজ্জামান খান ছিলেন একজন প্রগতিমনা সাংস্কৃতিকর্মী ও সমাজসেবক। হবিগঞ্জ পৌর পাঠাগারটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালকও ছিলেন তিনি। তাঁর ছোট ভাই ফারুকুজ্জামান খান একজন সম্মুখ সমরের মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর মাতা ছিলেন মুক্তিবাহিনীর পৃষ্ঠপোষক। তাঁদের মুন্সিগঞ্জের বাড়িটি ছিল যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মুক্তিবাহিনীর অন্যতম আশ্রয়স্থল। যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাকবাহিনীর একটি দল বদিউজ্জামান খানকে তাঁর বাণিজ্যিক এলাকাস্থ বাসভবন থেকে হত্যার উদ্দেশ্যে তুলে নিয়ে যায়। পরে তাঁর পাঠাগার পরিচালকের পরিচয় পেয়ে ও সরেজমিনে এসে এর সত্যতা খুঁজে পেয়ে তাঁকে মুক্তি দেয়। আমাদের কথা হচ্ছে, যে ব্যক্তিকে পাকবাহিনী হত্যার উদ্দেশ্যে তুলে নিয়ে গিয়েছিল তিনি কী করে পাকবাহিনীর দোসর অথবা স্বাধীনতাবিরোধী হতে পারেন? এমন একজন মানুষকে স্বাধীনতাবিরোধী হিসেবে অভিযুক্ত করা অবিশ্বাস্য ও দুঃখজনক। হয়তো এক বা একাধিক স্বার্থান্বেষী মহল ভুল তথ্য পরিবেশনের মাধ্যমে বদিউজ্জামান খানকে এমন অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে। তাই আমাদের আবেদন, বদিউজ্জামান খান সড়কের নামফলক অপসারণ স্থগিত ও ফলকটি যথাস্থানে বহাল রাখা হউক।
উক্ত আবেদনপত্রের অনুলিপি হবিগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও হবিগঞ্জ পৌর মেয়র বরাবরেও প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, কবি দেওয়ান গোলাম মোর্তাজা ও বদিউজ্জামান খানকে স্বাধীনতাবিরোধী অভিযুক্ত করে তাদের নামে নামকরণকৃত সড়কের নামফলক অপসারণের ঘোষণার সংবাদ স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় সম্প্রতি ছাপা হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com