বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

যুবলীগ সভাপতি সেলিমের হস্তক্ষেপে চুরি যাওয়া শিশু ১৪ দিন পর মায়ের কোলে

  • আপডেট টাইম সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৫
  • ৫৫৩ বা পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি ॥ যুবলীগ সভাপতি আতাউর রহমান সেলিমের হস্তক্ষেপে চুরি করে বিক্রি হওয়া শিশুটি ফিরে পেল তার মায়ের কোল। গত শনিবার ১৪ দিন পর চুনারুঘাট উপজেলার শানখলা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে তার হতভাগী মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেয়া হয়। জানা যায়, ১৪ দিন পূর্বে হবিগঞ্জ শহরের বদিউজ্জামান খান সড়ক এলাকার ইছাক মিয়ার বাড়াটিয়া অসীম চৌধুরীর স্ত্রী দিপালী রাণী রায় (৩৫) প্রসব ব্যাথা নিয়ে মাতৃমঙ্গল হাসপাতালে ভর্তি হয়। এ সময় দিপালীর সাথে তার বড় কন্যা আনিতা রাণী রায়ও (১৪) সেখানে যায়। এর পর যথারিতি এক পুত্র সন্তান প্রসব করেন দিপালী। প্রসবের কয়েক ঘন্টা পর অন্যান্য স্টাফদের সহযোগীতায় ওই হাসপাতালের কর্মচারী আব্দুল হাই প্রাইভেট চিকিৎসা করানোর কথা বলে নবজাত শিশুটিসহ তার মা ও বড় মেয়ে আনিতাকে নিয়ে শহরের আদালত পাড়ায় যায়। সেখানে এক আইনজিবীর চেম্বারে নিয়ে তাদেরকে চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজ পত্রে স্বাক্ষর করার কথা বলে পাষন্ড প্রতারক আব্দুল হাই। তখন সরল বিশ্বাসে শিশুটির বড় বোন আনিতা রাণী ওই কাগজ পত্রে স্বাক্ষর করে। পরে প্রতারক আব্দুল হাই মা ও বোনকে ফাঁকি দিয়ে শিশুটিকে নিয়ে কৌশলে সটকে পরে। এর পর শিশুটির মা দিপালী ও বড় বোন আনিতা মাতৃমঙ্গল হাসপাতালে গিয়ে আব্দুল হাইকে খোঁজে বের করে। এসময় তার কাছে শিশুটির বিষয়ে জানতে চাইলে সে জানায় “তোমরা টাকার বিনিময়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে শিশুটিকে বিক্রি করে দিয়েছ। কাগজে তোমাদের স্বাক্ষর আছে। বাচ্চা আর কোনদিন ফিরে পাবে না”। এ কথা শুনে যেন আকাশ ভেঙ্গে মাথায় পড়ে দিপালী ও আনিতার। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন মা দিপালী। উপায়ন্তর না পেয়ে জেলা রেডক্রিসেন্টের সেক্রেটারী আতাউর রহমান সেলিমের সরনাপন্ন হন দিপালী। বিষয়টি অবগত হওয়ার পর প্রতারক আব্দুল হাইয়ের কাছে ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে চান আতাউর রহমান সেলিম। আব্দুল হাই তখন নিজের দোষ স্বীকার করে জানায়, চুনারুঘাট উপজেলার শানখলা গ্রামের জনৈকা এক মহিলার কাছে ৩৫ হাজার টাকায় শিশুটিকে বিক্রি করে দিয়েছে সে। পরে ওই মহিলার সাথে যোগাযোগ করে ঘটনার ১৪ দিন পর শনিবার সন্ধ্যায় শিশুটিকে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দেয়া হয় তার মায়ের কোলে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com