বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

চুনারুঘাটে কোরবানী পশুর হাটে দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৫
  • ৫৬৩ বা পড়া হয়েছে

চুনারুঘাট প্রতিনিধি ॥ চুনারুঘাটের গরুর হাটে দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য অসম্ভব রকম হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ওই চক্রটির হাতে ক্রেতা-বিক্রেতা ও ইজারাদাররা জিম্মি। তাদের মাধ্যমেই কেনা-বেচা হয় গরু। এদের নির্ধারিত দামেই কিনতে হচ্ছে কোরবানীর পশু। তাদের কথা ছাড়া কোন পশুই কেনা-বেচা করা যায় না। চুনারুঘাটের সবচে বড় পশুর হাট আমুরোড। ওই হাটে উপজেলার সব ইউনিয়ন থেকেই আসনে ক্রেতা-বিক্রেতা। এ হাটে প্রতিদিন কম করে হলেও ২ থেকে আড়াই শ” পশু কেনা বেচা হয়। কিন্তু সবই হয় মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে। আবুল হাশিম নামের এক বিক্রেতা বলেন, তিনি গতকাল একটি ষাড় বাজারে তুলেছিলেন বিক্রির জন্য। গরুটি হাটে আনা মাত্রই কয়েকজন দালাল এসে প্রথমে গরুটি কেনার জন্য আগ্রহ দেখায়। তিনি ৩৫ হাজার টাকায় গরুটি বিক্রি করতে রাজি হন। এরপর ওই দালালরা গরুটি ২৬ হাজার টাকায় কেনার আগ্রহ দেখালে বিক্রেতা রাজি হননি। তিনি বলেন, এরপর অন্য কোন সাধারণ ক্রেতা গরুটি কেনার জন্য কাছে আসা মাত্র দালালরা এসে ঘিরে ধরে এবং তারা গরুটি দাম করছে বলে প্রচার চালাতে থাকে। এ কারণে অন্য কোন ক্রেতা আর গরু কিনতে আগ্রহ দেখান না। পরে বাধ্য হয়ে দালালদেরকে বিক্রিত গরু থেকে ১ হাজার টাকা প্রদানের আশ্বাস দেয়ার পর তিনি গরুটি ৩২ হাজার টাকায় বিক্রি করতে সক্ষম হন। আবুল কাশেম নামের এক ক্রেতা বলেন, শুধু আমুরোড বাজার নয় প্রতিটি হাটেই মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বেড়ে গেছে। গরু কেনা এবং বেচা উভয়টিতেই তাদেরকে বখরা দিতে হয়। নইলে নাজেহাল হতে হয়। এ বিষয়টি বাজার ইজারদারকে বলেও কোন ফায়দা হয়না। কারণ-ইজারাদার গরু কেনা-বেচাতেই সন্তোষ্ট থাকেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুুক এক ক্রেতা বলেন, আমুরোড গরু হাটে নুর হোসেন, নুর আহম্মদ, আঃ হক, তারা মিয়া, দরবেশসহ ২০ জনের একটি চক্র রয়েছে। এরা প্রভাবশালী এক পরিবারের লোক। তাদের ইশারায় পশু বেচা-কেনা হয়। এ চক্রটির সদস্য উপজেলার অন্যান্য হাটেও রয়েছে। সাধারণ ক্রেতারা বলেন, দালালদের কারণেই বেড়ে যাচ্ছে কোরবানীর পশুর দাম।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com