স্টাফ রিপোর্টার ॥ দীর্ঘদিন ধরে নবীগঞ্জ শহরে অস্থায়ী ভাবে ফুটপাতে অনিচ্ছাকৃত ভাবে দখল করে জীবন জীবিকা নির্বাহর করে আসছে নবীগঞ্জ উপজেলার কিছুসংখ্যক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, তাদের নির্দিষ্ট কোন যায়গায় না থাকার কারণে শহরের ফুটপাতে ব্যবসায় বানিজ্য করে পরিবারের মুখে একমুঠো ভাত নির্বাহর করে আসছেন।
৫ আগষ্টের পর নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন নবীগঞ্জে যোগদান করার পর উনার প্রচেষ্টায় শহরের অধিকাংশ যানযট নিরসন হয়ে গেছে, এছাড়া শহরের প্রদান সমস্যা ছিল ফুটপাতে সবজির দোকান, হকার মার্কেট, সিএনজি স্টেশন এবং বাস স্টেশনের মতো আর অনেক দুর্ভোগ সমস্যা, বর্তমানে নবীগঞ্জ শহরের মানুষ কিছুটা যানজট থেকে মুক্তি পেয়েছে বলে জানা যায়। এদিকে অনেক জল্পনা কল্পনার অবসান করে গতকাল রবিবার বিকাল ৪ টায় লাইটেস স্ট্যান্ড ও ওয়াল্টন শো রুম সংলগ্ন নবীগঞ্জ বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী (পূর্বাংশ) এর শুভ উদ্বোধন সম্পন্ন হয়েছে। এ সময় প্রদান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবীগঞ্জ উপজেলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান শেপু। এছাড়া অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌর জামায়েতের আমীর মাওলানা এমদাদুল হক, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সেক্রেটারি সবুর মিয়া, সাবেক ইউপি সদস্য চুনু মিয়া, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রুবেল মিয়া। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শহরের ৩নং ওয়ার্ডের জামাতের নেতা মোশাহিদ মিয়া। উপস্থিত ছিলেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোঃ রুমান মিয়া, মোঃ আমির উদ্দিন, মোঃ আব্দুর রহিম, মোঃ আব্দুল কদ্দুছ, মোঃ আব্দুস শহীদ, মোঃ সাজন মিয়া, মোঃ দুদু মিয়া, মোঃ আওয়াল মিয়া, মোঃ রাহিম উদ্দিন, মোঃ শিবলু মিয়া, নিশিকান্ত চন্দ্র দাশ, মোঃ শরিফ আলী, তরাজ মিয়া, আঃ হামিদ, শুরেন্দ্র দাশ, মোঃ রতন মিয়া, হাফিজুর রহমান, ছাইদুর রহমান, মোঃ ইমদাদুর রহমান, মোঃ রওশন আলী, মোঃ আব্দুল হামিদ (কালু), সুবিনয় দাশ, নারায়ন দাশ, আব্দুল গাফার, মোঃ হাসান আলী, মোঃ আব্দুল আলীম, মোঃ লোকমান মিয়া, মোঃ শামীম আহমেদ, মোঃ গোলাপ মিয়া, রব মিয়া, মোঃ ময়না মিয়া, রঞ্জিত দেবনাথ, মোঃ জালাল মিয়া, মোঃ ছালেক মিয়া, সাজ্জাদুর রহমান, মোঃ তাজুল ইসলাম, আলখাছ মিয়া, মোঃ টিটু, আতাউর মিয়া, গোবিন্দ পাল, মোঃ বাদল মিয়া, আজিজুর, জাহান উদ্দিন, মোঃ আমীর আলী, মোঃ তায়িদ মিয়া, জ্যোতিষ পাল, মুহিদ মিয়া, মোঃ মাশুক মিয়া, মোঃ সামছুল হক, দিপু দাশ, মোঃ আফিল উদ্দিন, শেখ মোঃ আব্দুর রেজাক মিয়া, মোঃ যোশেফ মিয়া, মোঃ ছালেক মিয়া, মোঃ আতাউর রহমান, মোঃ ছায়েদ মিয়া, আব্দুর করিম, নাজু মিয়া, সোহন মিয়া, মোঃ ইউসুফ আলী, জাশেদ মিয়া প্রমুখ। এই বিষয়ে মুজিবুর রহমান শেপু বলেন অবহেলিত ভাবে দীর্ঘদিন যাবত এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ছিলেন, বর্তমানে তাদের একটা নির্দিষ্ট স্থায়ী জায়গা হয়েছে, পাশাপাশি শহরের যানজট কিছুটা লাঘব হবে বলে আশাব্যক্ত করেন। জামায়েতের আমীর মাওলানা এমদাদুল হক বলেন সর্বপ্রথম ধন্যবাদ জানাই নবীগঞ্জ উপজেলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন সাহেবকে, তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করে এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের একটা স্থায়ী জায়গা করে দিয়েছেন। এই বিষয়ে নবীগঞ্জ বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী (পূর্বাংশ) এর সদস্যরা বলেন আমরা দীর্ঘদিন যাবত ভাসমান অবস্থায় ভেসে ছিলাম যা আমাদের জন্য ছিল অস্বস্তি, আমাদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ধন্যবাদ জানাই। এমনকি নবীগঞ্জ উপজেলাকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে উনার ভুমিকা অতুলনীয়। নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন বলেন আমি আসার পর দেখি নবীগঞ্জ শহর যানজট এর শহরে পরিনিত হয়ে গেছে। বিশেষ করে ভাসমান ব্যবসায়ী ও হকার মার্কেট এ সিএনজি স্টেশন ও বাস স্টেশন। তখন এই এলাকার ব্যবসায়ী এবং জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় নিয়ে এসব সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম হই। আজ এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা তারা একটা নির্দিষ্ট স্থায়ী যায়গা পেয়েছে পাশাপাশি শহর থেকে ভাসমান কিছু দোকান পাট বন্ধ হয়ে গেছে, আশা করি বাকি সমস্যাগুলোও দ্রুত সমাধান করে এই শহরকে আধুনিক মডেল শহর হিসেবে গড়ে তুলা হবে।