সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অর্থের অভাবে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরছে না দুলনের মরদেহ হবিগঞ্জে এনসিপির দায়েরকৃত মামলায় ছাত্রদলের নেতাদের জামিন লাভ হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ ৯ জনকে আসামী করে ছাত্রদল নেতার মামলা রুজু বাহুবলে শ্যামলী বাসের সাথে সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ১ হবিগঞ্জ আদালতে কোর্ট ফি সংকট ॥ ভোগান্তি সুরমা চা বাগানে ৫০ বছরের পুরোনো সেতুতে ভোগান্তি শহরে ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান ॥ আটক ১ শায়েস্তাগঞ্জে গরুবাহী পিকআপে ডাকাতি র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ১ বাহুবলে দ্বৈত হত্যা মামলার আরও ১ আসামি নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার চুনারুঘাটে র‌্যাবের অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ আটক ২

খোশ আমদেদ মাহে রমজান

  • আপডেট টাইম শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৬ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আজ ৩ রমজান। রমজান মাস সিয়ামের মাস। সিয়াম পালন করার উদ্দেশ্যে শেষ রাতে পানাহার করাকে সেহরি বলে। শেষ রাতে সুবিহ্ সাদিক হওয়ার আগ পর্যন্ত সেহরি করা যায়। কেও যদি সেহরি খেতে না পারে তাহলেও সিয়াম হবে কিন্তু সিয়ামের নিয়ত না করলে সিয়াম হবে না। প্রত্যেক দিনকার সিয়ামের জন্য সেদিনকার সেহরির সময় নিয়ত করা উত্তম। কেউ যদি তখন সিয়ামের নিয়ম করতে না পারে তাহলে দিবসে বেলা ১২টার পূর্বে যে কোন সময় নিয়ত অবশ্যই করতে হবে। মনে রাখতে হবে নিয়ত হচ্ছে সিয়ামের স্থম্ভ¢। নিয়ত বাংলাতে করলেও হবে। আমি আগামী কালকের জন্য রমজানের সিয়ামের নিয়ত করেছি বললে নিয়ত করা হয়ে যাবে। আর দিবসের ১২টার পূর্বেকার কোন সময় হলে আজকের জন্য সিয়ামের নিয়ত করছি বলতে হবে। সিয়ামের আরবী নিয়ত হচ্ছেঃ নাওয়াইতু আন্ আসুমা গাদাম্ মিন শাহরি রমাদানাল্ মুবারাকি র্ফাদাল্লাকা ইয়া আল্লাহ্ ফাতাকাব্বাল মিন্নী ইন্নাকা আনতাস্ সামীউল আলীম। নিয়ত মনে মনে করলেও হবে, তবে মৌখিক উচ্চারণে নিয়ত করা মুখস্ত হাব। সেহরির সময়সীমা নির্ধারণ করে কুরআন মজিদে ইরশাদ হয়েছেঃ আর তোমরা পানাহার কর ততক্ষণ যতক্ষণ না রাতের কালো রেখা হতে উষার শুভ্র রেখা স্পষ্টরূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত হয়। (সূরা বাকারা ঃ আয়াত ১৮৭)।
প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম সাহরীর গুরুত্ব সম্পর্কে বলেছেনঃ তোমরা সেহরি খাবে। কেননা সেহরিতে রয়েছে বরকত (বুখারী শরীফ)।
সিয়াম ভাঙ্গাকে ইফতার বলা হয়। সূর্য অস্ত গেলে ত্বরিত ইফতার করা উত্তম। অর্থাৎ ইফতারের ওয়াক্ত হওয়া মাত্র ইফতার করতে হবে। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ মানুষ যতদিন ত্বরিত ইফতার করবে ততোদিন তারা কল্যাণের ওপর থাকবে। (বুখারী শরীফ)।
সে সিয়াম পালন করে তাকে আরবীতে সায়িম বলে। ফারসীতে সিয়ামকে বলা হয় রোজা এবং সায়িমকে বলা হয় রোজাদার। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ কোন সায়িমকে ইফতার করালে সে সেই সায়িমের প্রতিদানের সমান প্রতিদান লাভ করবে। এই প্রতিদান অন্য রকমের। তাতে সেই সায়িমের প্রতিদান এতটুকুও কম করা হবে না।
ইফতার করার পূর্বে দু’আ করতে হয় এই বলেঃ হে আল্লাহ্ হে করুণাময় পরম দয়ালু দাতা আমি আপনার জন্যই সিয়াম রেখেছি, আপনারই ওপর নির্ভর করেছি এবং আপনারই রহমতে আপনার দেয়া রিযক দিয়ে ইফতার করছি। আরবী দু’আ এরূপ ঃ আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু ওয়া আলায়কা তাওয়াক্কালতু ওয়া আলা রিযকিকা আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহীমীন। এক টুকরো খোরমা, কিংবা খেজুর কিংবা একটু পানি মুখে দিয়ে ইফতার করা ভাল। হাদিস থেকে জানা যায় যে, একবার প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম সাহাবায়ে কেরামের নিকট ইফতার করা এবং অন্যকে ইফতার করানোর মধ্যে নিহিত ফযিলত বর্ণনা করেন। সাহাবায়ে কেরাম তাকে বললেন ঃ ইয়া রাসল্লাল্লাহ আমাদের মধ্যে সবাই তো আর ইফতার করানোর সামর্থ্য রাখে না। এ কথা শুনে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ পেট ভরে খাওয়াতে হবে এমনটাতো নয়। একটা খেজুর বা একটু দুধ কিংবা এক ঢোক পানি দ্বারা কাউকে ইফতার করালেও একই রকম সওয়াব পাবে।

 

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com