মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শহরে চাঁদের হাসি হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ॥ গোলাম মোস্তফা রফিক’র মৃত্যু ॥ তদন্ত কমিটি গঠন ॥ আজ মঙ্গলবার ২টায় কেন্দ্রীয় ইদগাহে জানাযা ॥ বিভিন্ন মহলের শোক ১৮২ কোটি টাকার উন্নয়ন গ্রকল্প গ্রহণ হবিগঞ্জে হুইপ জি কে গউছের উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে পৌরসভা ও ৩ উপজেলা বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হুইপ জি কে গউছের শোক প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে চা শ্রমিকদের মাঝে ঘরের চাবি প্রদান করেন এমপি ফয়সল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু-কিশোরদের নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে কৃষি কাজের ট্রাক্টরে বডি সংযোজন করে বালু-মাটি পরিবহন বাহুবলে মুজতবা আলী স্মৃতি পরিষদের ‘মুজতবাচরিত’ প্রকাশনা উৎসব রেমা-কালেঙ্গায় বন বিভাগের অভিযান ॥ মুলি বাঁশ জব্দ বানিয়াচং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন

বানিয়াচং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির দুইজন সদস্যের চোখে চিকিৎসায় ব্যাপক অনিয়মের চিত্র

  • আপডেট টাইম রবিবার, ২ জুন, ২০২৪
  • ৩১০ বা পড়া হয়েছে

মখলিছ মিয়া, বানিয়াচং থেকে ॥ বানিয়াচং হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থায় চরম হযবরল অবস্থা তৈরী হয়েছে। জরুরী বিভাগের সরকারী চেয়ারে বসে রোগীদের চিকিৎসা এবং ব্যবস্থাপনাপত্র দিচ্ছেন এক ঔষধ কোম্পানীর রিপ্রেজেনটেটিভের শ্যালক। গতকাল রাতে হাসপাতাল পরিদর্শন করে এমন চিত্র পেয়েছেন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির দুইজন সদস্য বানিয়াচং প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমদাদুল হোসেন খান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আঙ্গুর মিয়া। শ্বাসকষ্ট, পেটের ব্যাথা, জ্বর, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগাক্রান্ত মানুষ ভর্তি রয়েছেন। কিন্তু তারা সঠিকভাবে সেবা পাচ্ছেন না। এনিয়ে রোগীদের স্বজনরা তাদের কাছে অভিযোগ করেন। ইর্মাজেন্সি বিভাগে একজন ঔষধ কোম্পানির রিপ্রেজেনটেটিভের শ্যালক রোগী দেখছেন এবং প্রেসক্রিপশন করছেন। তার কথামতো রোগী ভর্তি করা হচ্ছে। লোকটির নাম জহিরুল। তিনি হাসপাতালের ডাক্তার না হয়েও সরকারি চেয়ারে বসে রোগী দেখেন। নিম্নমানের ঔষধ লিখে দেন বলে লোকজন অভিযোগ করেন। পরিদর্শনকালে উপর তলায় গিয়ে দেখা যায় ডাক্তার সুস্মিতা রাউন্ড দিচ্ছেন, তাঁর সামনেই রোগীদের অনেক অভিযোগ। সব ইনজেকশন নাকি বাহির থেকে কিনে আনতে হয়, নার্সদের সাথে নাকি একবারের বেশি দুইবার কথাই বলা যায় না, বললেই দুর্ব্যবহার করা হয়। বিদ্যুৎ চলে গেলে ডিউটি ডাক্তার ও নার্সস্টেশন রুমে আইপিএস দ্বারা বৈদ্যুতিক পাখা ও লাইট সচল রাখা হয়, কিন্তু ওয়ার্ডগুলোতে আইপিএস কিংবা জেনারেটর দ্বারা বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় না। খাবার নিয়েও রোগী এবং তাদের সাথে থাকা স্বজনরা অভিযোগ করেন। ১ জুন সকালে যেসব রোগী ভর্তি হয়েছেন তাদেরকে সকাল, দুপুর এবং রাতের বেলা খাবার দেয়া হয়নি। ৫/৬ দিন ধরে যেসব রোগী ভর্তি রয়েছেন তারা জানালেন সবাইকে নাকি ভর্তি হওয়ার একদিন পর খাবার দেয়া হয়। ভর্তি রেজিস্টার অনুযায়ী ৪৬ জন রোগী ভর্তি থাকলেও ডাইনিংয়ে গিয়ে বাবুর্চিকে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান রাতে ২২ জনের খাবার রান্না করা হয়েছে এবং ২২ জনকেই খাবার দেয়া হয়েছে। অথচ তার কাছে থাকা লিস্ট অনুযায়ীই রাতে ৩৫ জনকে খাবার দেওয়ার কথা ছিল। খাবারের মান নিয়েও রোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একজন রোগীর স্বজন দুপুরে দেয়া খাবার বের করে দেখিয়ে বললেন, হাসপাতালের খাবার এত খারাপ খেলে বমি চলে আসার মতো অবস্থা হয়, তাই না খেয়ে রেখে দিয়েছেন। মানসম্মত খাবার না হওয়ায় রাতের খাবার গ্রহনই করেননি তিনি। ডিউটিরত ডাক্তার সুস্মিতার সামনে যখন রোগী এবং তাদের স্বজনরা এসব অভিযোগ করছিলেন তখন তিনি এসব নিয়ে ইউএইচ এন্ড এফপিও ডাক্তার শামীমা আক্তার এবং আরএমও ডাক্তার শাহনেওয়াজ এর সাথে কথা বলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করার আশ্বাস দেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com