সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অর্থের অভাবে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরছে না দুলনের মরদেহ হবিগঞ্জে এনসিপির দায়েরকৃত মামলায় ছাত্রদলের নেতাদের জামিন লাভ হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ ৯ জনকে আসামী করে ছাত্রদল নেতার মামলা রুজু বাহুবলে শ্যামলী বাসের সাথে সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ১ হবিগঞ্জ আদালতে কোর্ট ফি সংকট ॥ ভোগান্তি সুরমা চা বাগানে ৫০ বছরের পুরোনো সেতুতে ভোগান্তি শহরে ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান ॥ আটক ১ শায়েস্তাগঞ্জে গরুবাহী পিকআপে ডাকাতি র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ১ বাহুবলে দ্বৈত হত্যা মামলার আরও ১ আসামি নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার চুনারুঘাটে র‌্যাবের অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ আটক ২

প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে লাল নিশান উপড়ে ফেলে দিয়েছে অবৈধ দখলবাজরা

  • আপডেট টাইম রবিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৩৫৯ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ সদর উপজেলাধীন ফতুর জঙ্গল মৌজায় প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে লাল নিশান উপড়ে ফেলে দিয়েছে অবৈধ দখলবাজরা। এমনকি বন্দোবস্ত পাওয়া জমির মালিকদের প্রকাশ্যে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, ফুতুর জঙ্গল মৌজার ২ একর ৫৫ শতক জমি ১৪১৭ বাংলা হতে ১৫১৬ বাংলা পর্যন্ত ৯৯ বছরের জন্য বন্দোবস্ত পান ৯ জন ব্যক্তি। এর মধ্যে নাজিরপুর গ্রামের তমিজ উল্লার পুত্র ছায়েদ আলী ৪০ শতক, একই গ্রামের আকল মিয়ার পুত্র ফজল মিয়া ৪০ শতক, পইল গ্রামের সঞ্জব আলীর পুত্র সাহিন মিয়া ২০ শতক, নাজিরপুর এলাকার আমির হোসেনের পুত্র তুলা মিয়া ৪০ শতক, লামাপইল গ্রামের মৃত শশী মোহন সূত্রধরের পুত্র রায়হান অপূর্ব ২৫ শতক, পইল গ্রামের জমসের আলীর পুত্র মকসুদ আলী ২০ শতক, নাজিরপুর এলাকার আমির হোসেনের পুত্র বাচ্চু মিয়া ২০ শতক, এড়ালিয়া গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের পুত্র কারী সালা উদ্দিন ও তার স্ত্রী আছিয়া খাতুন ৩০ শতক, পইল পশ্চিমপাড়া এলাকার সফিক আলীর পুত্র মিনার আলী ২০ শতক জমি বন্দোবস্ত পান। কিন্তু উক্ত জমি জোরপূর্বক ভোগ দখল করে আসছে একটি মহল। এর প্রেক্ষিতে উল্লেখিত লোকজন গত ২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসক হবিগঞ্জ বরাবরে তফসিলবর্ণিত ভূমি সনাক্তক্রমে দখলমুক্ত করে জমি ফিরিয়ে দেয়ার আবেদন করেন। আবেদনটি দীর্ঘ বিচার বিশ্লেষণ করে গত ২০২১ইং সনের ৪ নভেম্বর জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে জমি মুক্ত করতে হবিগঞ্জ সদর এসিল্যান্ড মোঃ ইয়াসিন আরাফাত রানাকে নিয়োগ দেন। জেলা প্রশাসকের আদেশপ্রাপ্ত হয়ে চলতি সনের ১২ জানুয়ারি সকাল ১১টায় ফতুর জঙ্গল মৌজার জমিতে সরেজমিনে গিয়ে এসিল্যান্ড উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তিনি বন্দোবস্ত প্রাপ্তদের জমি সমজিয়ে দিয়ে লাল নিশান টানিয়ে দেন। ওই দিন গভীর রাতে দখলবাজ মাছুলিয়া গ্রামের দুলাল মিয়া, আলাই মিয়া, হিরা মিয়া, এড়ালিয়া গ্রামের ওয়াহিদ মিয়া, আব্দুল মালেক, গফুর মিয়া, হায়দর আলী, শহিদুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন লাল নিশান উপড়ে ফেলে দেয়। এর পর থেকে বন্দোবস্ত পাওয়া মালিকদের প্রকাশ্যে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে ওই লোকজন। এমন পরিস্থিতিতে জমির মালিকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com