বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

চুনারুঘাটের সাতছড়ি উদ্যানে ৩ শতাধিক প্রাণীদের আশ্রয়স্থল

  • আপডেট টাইম শনিবার, ২৭ মে, ২০১৭
  • ৬৭০ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান প্রায় ৩ শতাধিক প্রাণীদের আশ্রয়স্থল। এসব প্রাণীই মুলতঃ সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের সৌন্দয্যকে বাড়িয়ে তোলেছে। কিন্তু নানা কারণে ২০ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হতে চলেছে।
এখানে উল্লেখযোগ্য প্রাণীদের মধ্যে রয়েছে ১৪৯ প্রজাতির পাখি, ২৪ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ১৮ প্রজাতির সরিসৃপ প্রাণীর সাথে রয়েছে চিতা বাঘ, মেছো বাঘ, লজ্জাবতি বানর, মায়া হরিণ, উলুক, ময়না পাখি, ঘুঘু পাখি, টিয়া পাখি, ঈগল পাখি।
কবে কালের আর্বতে কিছু কিছু প্রাণী হারিয়ে গেছে। সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের পাশের ত্রিপুরা পল্লীর বাসিন্দাদের সাথে আলাপকালে তারা জানান, এক সময় ওই উদ্যান বন্যপ্রাণীর অভয়াশ্রম ছিল। এখন আর সে দৃশ্য খুব একটা দেখা যায় না। তারা আরও জানান, বিলুপ্ত বন্যপ্রাণী রক্ষায় বন বিভাগের কোন উদ্যোগ নেই।
বিলুপ্ত হওয়ার কারণ সম্পর্কে সাতছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা বলেন, জাতীয় উদ্যানের পাশের বিভিন্ন চা বাগান গুলোতে ক্ষতিকর কীটনাশক ও ওষুধ প্রয়োগ এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে নিরাপদ অভয়াশ্রম না থাকায় এসব বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হচ্ছে।
এছাড়া শীতকালে সাতছড়ির ৭ ছড়ার সব কয়টিই শুকিয়ে চৌচির হয়ে যায়। ফলে বন্যপ্রাণীরা পানির তৃষ্ণায় দিক-বিদিক ছুটাছুটি করে। কখনও কখনও ওইসব প্রাণী গ্রামাঞ্চলে পুকুরের পানি দিয়ে তৃষ্ণা নিবারণ করতে দেখা যায়। তখন মানুষের কাছে ধরাও পড়ে।
সিলেট বিভাগে যে কয়টি জাতীয় উদ্যান রয়েছে এর মধ্যে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান অন্যতম। বন জঙ্গলে ভরপুর এ উদ্যানে বন্যপ্রাণীদের কলকাকলীতে যে কোন মানুষকে আকৃষ্ট করে তুলে। ২ শত ৩৪ হেক্টর সীমানা নিয়ে সাতছড়ি। এর পূর্ব নাম ছিল রঘুনন্দন হিল রির্জাভ ফরেষ্ট। ১৯৭৪ সালের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ/সংশোধন আইন অনুযায়ী ২০০৫ সালে সাতছড়িকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পুরো সাতছড়িই যেন সবুজে সমারোহ। এখানের বিলুপ্ত হওয়া প্রাণীগুলোকে রক্ষার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com