বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

মাধবপুরে মুক্তিযোদ্ধা যাছাই বাছাই নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড

  • আপডেট টাইম সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭
  • ৫৪৭ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মাধবপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই বাচাই কার্যক্রম নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড ঘটেছে। উপজেলায় যেখানে তালিকাভুক্ত ভাতাভোগী মুক্তিযোদ্ধা ৪শ ৭জন। সেখানে অন লাইনে আবেদন করেছেন আরও ৫শ জন। তবে অন লাইনের বাহিরেও যাছাই বাছাই কমিটির সভাপতি কাজী কবির উদ্দিনের আহবানে আরও প্রায় ১ হাজার আবেদন পড়লে বিষয়টি নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি উপজেলা কমান্ডের সকল নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে নামে-বেনামে অভিযোগ নিয়ে সৃষ্টি হয় উত্তেজনা। পরে সিলেট বিভাগের সমন্বয়কারী সাবেক চীফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহিদ এমপির উপস্থিতিতে জটিলতার অবসান ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার সভাকক্ষে কমিটির সভাপতি ক্যাপ্টেন (অবঃ) কাজী কবির উদ্দিনের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়। এসময় উপজেলা চত্বর লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। অনেকেই আসেন তাদের নাম তালিকাচ্যুত করা হবে এই আশঙ্কায়। আবার অনেকেই আসেন কোনভাবে তালিকায় নিজের নাম তোলা যায় কি-না এই আশায়। পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মাধবপুর উপজেলা ইউনিটের প্রায় সকল সদস্যসহ ৬৪ জনের বিরুদ্ধে নামে বেনামে অভিযোগ দাখিল করা হয়। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে মাধবপুরের এসিল্যান্ড ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা টিনা পাল নোটিশও প্রদান করেন। এ নিয়ে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এমতাবস্থায় সিলেট বিভাগের সমন্বয়কারী উপাধ্যক্ষ আব্দুশ শহিদ ও জেলা সমন্বয়কারী জেলা কমান্ডার মোহাম্মদ আলী পাঠান ঘটনাস্থলে যান। স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাহবুব আলীও উপস্থিত হলে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহিদ নির্দেশনা প্রদান করেন, পরিপত্র ও প্রজ্ঞাপনের বাহিরে কেউ কিছু করতে পারবে না। শুধুমাত্র নির্ধারিত সময়ে যারা অন লাইনে আবেদন করছেন তাদের আবেদন বিবেচনা করা হবে। আর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ২০১৬ সালের ২০ নভেম্বরের মাঝে যদি আবেদন হয় তাহলে তার শুনানী হবে। এর পর আবেদন করলে তা সরাসরি খারিজ হবে। ভারতীয় তালিকা ও লাল মুক্তি বার্তায় নাম থাকলে তাদের যাছাই বাছাই করা যাবে না। তবে তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা অভিযোগকারী প্রমাণ করতে হবে। অন্যথায় অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাসহ ৩ বছর পর্যন্ত সম্মানী ভাতা ও সুযোগ সুবিধা বন্ধ করার বিধান রয়েছে।
এ ব্যাপারে জেলা কমান্ডার অ্যাডঃ মোহাম্মদ আলী পাঠান বলেন, কোন সদস্য চাইলেই কাউকে মুক্তিযোদ্ধা বানাতেও পারবেন না। আবার কাউকে বাদও দিতে পারবেন না। তবে ন্যায় বিচার যাতে নিশ্চিত হয় সেদিকে খেয়াল রেখে কাজ করা উচিত।
মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুখলেছুর রহমান জানান, শনিবার ও রবিবার আবেদনকারীদের স্বাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছে। তবে অন লাইনের বাহিরের আবেদনকারীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ঢাকা থেকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) দিবে।
উপজেলা কমিটির সভাপতি কাজী কবির উদ্দিন এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি কল রিসিভ করেন নি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com