শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জে সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন সবজির দাম বেড়েছে ॥ জনদূর্ভোগ জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে অধ্যাপক কামরুল হাসান সভাপতি ও অ্যাডভোকেট জসিম সম্পাদক নির্বাচিত নবীগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে ৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা আজ বানিয়াচং মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন দীঘলবাগে কৃষকদল নেতা জামাল আ.লীগ নেতা শাহীদের বিরুদ্ধে আশ্রয়ন প্রকল্পে ঘর দখলের অভিযোগ শহরের বিভিন্ন বাজারে রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ নবীগঞ্জের চোখ হারানো আলিফের পরিবারের পাশে এনসিপি ॥ মায়ের খোঁজ নিলেন নেতৃবৃন্দ মাধবপুরে বিজিবির অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার বাহুবলের সাটিয়াজুরি বাজারে মাদকের বিরুদ্ধে জনতার প্রতিবাদ সমাবেশ মাধবপুরে মাদ্রাসা ছাত্রী অপহরণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ভিকটিম উদ্ধার

হজ্ব করতে গিয়ে ৩০ বছর আগে নিখোঁজ ॥ বানিয়াচংয়ের মুরাদপুরের গফুরের সন্ধান মিলেছে

  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ২৪ মে, ২০১৬
  • ৬৫৪ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হজ্ব করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার ৩০বছর পর সন্ধান মিলেছে গফুর আলীর। তাঁর বাড়ি বানিয়াচং উপজেলার মুরাদপুর গ্রামে। তাঁর পিতার নাম আক্কল উল্লা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩০ বছর আগে গফুর আলী হজ্ব করার জন্য মক্কাশরীফ গমণ করেন। হজ্ব শেষে তিনি পাসপোর্ট হারিয়ে ফেলেন। দেশে আসার কোন উপায় না পেয়ে তিনি প্রথমে ইরান চলে আসেন। পরবর্তীতে আফগানিস্তান হয়ে পাকিস্তানে চলে যান। পাকিস্তানের পেশোয়ারে আসার পর একটি মসজিদে তিনি আশ্রয় নেন। সম্প্রতি জনৈক পাকিস্তানী নাগরিক তার গতিবিধি এবং একই স্থানে অনড় থাকায় কৌতুহলী হয়ে উঠেন। ওই নাগরিক তাঁর পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে গফুর আলী ঘটনার বর্ণনা দেন। তাঁর বাড়ি বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার মুরাদপুর গ্রামে বলে জানান। সেই সাথে গফুর আলী তাঁর ভাই সফর আলী, চাচা রাশিদ উল্লা, আত্মীয় সওদাগর, আব্দুস ছাত্তার এবং কিতাব আলীর নামও বলেন। বিস্তারিত জেনে পাকিস্তানী নাগরিক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ফ্যাক্স বার্তা প্রেরণ করেন। এর সূত্র ধরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বার্তা প্রেরণ করা হয়। জেলা প্রশাসন ওই বার্তার ব্যাপারে খোঁজ খবর নেয়ার জন্য বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। এরই প্রেক্ষিতে বানিয়াচং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রায়হানুল হারুন সরজমিনে মুরাদপুর গ্রামে যান। সেখানে যাওয়ার পর গ্রামের লোকজন এবং গফুর আলীর আত্মীয়স্বজন ঘটনাটি সত্য বলে জানান।
গফুর আলীর পরিবারের মধ্যে শুধুমাত্র তাঁর দুই ভাতিজা জুবেদ ও জাবেদ বেচে আছেন। গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, গফুর আলী একজন মাজার ভক্ত লোক ছিলেন। কুড়িগ্রামের রৌমারি একটি মাজারে কিছুদিন অবস্থানের পর সেখানে বিয়ে করেন। কিন্তু স্ত্রীকে বাড়িতে আনা হয়নি। এর পরই তিনি হজ্বে গমণ করেন। তাঁর স্ত্রী সন্তান আছে কি-না জানা যায়নি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com