বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বানিয়াচংয়ে ৯ ছাত্র-জনতা হত্যা মামলা ॥ ২ বছরেও শুরু হয়নি বিচার শহীদ পরিবারে তীব্র ক্ষোভ দেউন্দি-রঘুনন্দন বনাঞ্চলের গাছ কেটে সাবাড় ॥ হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য আজ “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস” এই আন্দোলনে হবিগঞ্জ জেলায় ১২ ছাত্র-জনতা ও পুলিশ প্রাণ হারান মাধবপুরে লোডশেডিং বিপর্যস্ত জনজীবন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম হবিগঞ্জ জেলা শাখার নয়া কমিটি বানিয়াচঙ্গে শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় ডা. জীবন ॥ আজকের কৃতিরাই আগামী দিনের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের কারিগর হবিগঞ্জ সোসাইটি ইউ.কে এর উদ্যোগে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ ও বস্ত্র বিতরণ ইংল্যান্ড আলাল মহসিনের চুরি যাওয়া ২টি আইফোন ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেপ্তার তেতৈয়ায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে লাশ হলো শিশু

মাধবপুরে পিতৃ পরিচয় নিশ্চিত করতে ৩৫ দিন পর কবর থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৫
  • ৫৮৮ বা পড়া হয়েছে

আবুল হোসেন সবুজ, মাধবপুর থেকে ॥ মাধবপুরে কুমারী মাতার গর্ভে জন্ম নেওয়া শিশুর পিতৃ পরিচয় নিশ্চিত করতে আদালতের নির্দেশে ৩৫ দিন পর কবর থেকে এক শিশুর লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। গত বুধবার সকালে হবিগঞ্জের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হাসান মারুফের উপস্থিতিতে উপজেলার সম্পদপুর গ্রামের কবরস্থান থেকে মাজহারুল ইসলাম নামে ৩৫ দিন বয়সের এ শিশুর লাশ উত্তোলন করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ১৪ জুন মাধবপুর উপজেলার সম্পদপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার মেয়ে কুমারী হাসেনা বেগমের গর্ভের এক পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। একই গ্রামের নজব আলীর ছেলে রেনু মিয়া (২৫) প্রেমের ফাঁদে ফেলে হাসেনার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এতে হাসেনা বেগম অন্ত:সত্ত্বা হন। গত ১৪ জুন এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন তিনি। সন্তান জন্ম নেওয়ার পর রেনু মিয়া এর দায়দায়িত্ব অস্বীকার করে সটকে পড়ে। নবজাতক শিশুকে নিয়ে সমাজের মধ্যে বিপাকে পড়ে কুমারী মাতা হাসেনা বেগম। এরই সন্তানটি মারা যায়। এদিকে এ ঘটনায় সমাজপতিরা উল্টো হাসেনাকে বিভিন্ন অপবাদ ও লাঞ্ছনা দিতে থাকে। নিরূপায় হয়ে হাসেনা বেগম সন্তানের পিতৃ পরিচয় ও স্বামীর অধিকার চেয়ে গত ২ জুন হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে হাসেনা বেগম বাদি হয়ে রেনু মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে নালিশী মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে গত ১২ জুলাই মাধবপুর থানায় মামলাটি এফআইআর হয়। গত ৬ আগস্ট মনতলা তদন্ত কেন্দ্রের এসআই জহিরুল ইসলাম এজাহারনামীয় ২ আসামি রেনু ও তার সহোদর মনছব আলীকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায়। গত ৫ আগস্ট বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য কবর থেকে শিশুটির লাশ উত্তোলনের নির্দেশ দেন। জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশে গতকাল বুধবার হবিগঞ্জের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হাসান মারুফের উপস্থিতিতে উপজেলার সম্পদপুর গ্রামের কবরস্থান থেকে শিশুটির লাশ উত্তোলন করা হয়। মাধবপুর থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক জহিরুল ইসলাম জানান, শিশুর লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য মৃতদেহ পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com