বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

মাধবপুরে কৃষি কাজে সরব নারী পারিশ্রমিক কম দেয়ায় অসন্তোষ

  • আপডেট টাইম সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ২৩৪ বা পড়া হয়েছে

মাধবপুর প্রতিনিধি ॥ মাধবপুরে কৃষি কাজে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে আশাতীত। দরিদ্র পরিবারের নারীরা নিজের সংসারে অভাব দুর করতে এখন কৃষি কাজ করছেন।
সারা বছরে জুড়ে মৌসুমি কৃষি কাজে নারীরা মাটে দিন মজুরের কাজ করেন। পুরুষের পাশাপাশি সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন। সকাল হলেই দেখা মিলে নারীরা দলবেঁধে কাজে যাচ্ছেন। উপজেলার ৫টি চা বাগানের বেকার নারী ও কিশোরীরা বেশি কাজ করছেন। তবে তারা মুজুরি বৈষম্যের শিকার। মুজুরি কম হলেও বাধ্য কাজ করেন। কারন কৃষিকাজ মুজুরির কোন নীতিমালা নেই। নিয়মিত কাজ করেন এমন নারী শ্রমিকরা জানান, মাধবপুর উপজেলার ১১ টি ইউনিয়ন সারা বছর মৌসুমি সবজি ও বিভিন্ন কৃষি চাষাবাদ হয়ে থাকে। তাই পুরুষের পাশাপাশি নারী শ্রমিকদের অনেক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে চা বাগানে যাদের কোম্পানির কাজ নেই সেখানে দরিদ্র নারীরা পরিবারের অভাব ঘোচাতে কৃষি কাজ করেন।চা বাগানের নারী ছাড়া সমতল এলাকার পিছিয়েপড়া অভাবগ্রস্ত নারীরা কৃষি কাজ করেন।তবে মুজুরি নিয়ে সবাই হতাশ। সকাল থেকে বিকেল অবধি কঠোর কাজ করলেও পুরুষের মত মুজুরি দেওয়া হয়না। সুরমা চা বাগানের মালতি ভুমিজ নামে একজন নারী কৃষি শ্রমিক বলেন, পুরুষ শ্রমিদের সাড়ে থেকে ৫শ টাকা পারিশ্রমিক দেওয়া হয়। আর সেখানে নারী শ্রমিককে মাত্র ২শ। টাকা দেওয়া হয়। নারীরা পুরুষের মতই হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করেন। এই মুজুরি বৈষম্য চলছে যুগ যুগ ধরে। মুজুরি নিয়ে কথা বলতে গেলে কাজ থেকে বাদ পড়ার ভয়ে অনেক নারী কম টাকায় কাজ করে যান।
পরমানন্দপুর গ্রামের সুফিয়া নামে অপর নারী শ্রমিক, আলু, মুলা টমোটো, বরবটি ধান রোপন, ধান কাটাসহ সারা বছর জুড়ে শতশত শ্রমিক রোদ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে কৃষি জমিতে কাজ করেন। তবে কম পারিশ্রমিকে তাদের পরিবার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। কারন এখন এক কেজি মোটা চাল কিনতে ৬৫ টাকা লাগে। তেল, লবন, পেয়াজ রসুন কিনে আর কোন টাকা হাতে থাকেনা। মাছ মাংস কেনা কৃষি শ্রমিকরা কেনার সক্ষতা নেই। আমজাদ মিয়া নামে একজন কৃষক জানান, সার, বীজসহ কৃষি যন্ত্রপাতির দাম অনেক বেশি। এ কারনে উৎপাদন খরছ বেশি। কৃষকরা শ্রমিকের সর্বোচ্চ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কাউকে কম দেওযার ইচ্ছা নেই। মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সজিব সরকার জানান, মাধবপুরে নারী পুরুষ মিলে কৃষি কাজ করেন। নারীরা যাতে ন্যায্য পারিশ্রমিক পান সেদিকে খেয়াল রাখব।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com