শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) এর জশনে জুলুছে লাখো জনতার ঢল সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্বে হুইপ জি কে গউছ হবিগঞ্জে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম প্রয়াণ দিবস পালিত মাধবপুরে অগ্নিকাণ্ডে ২৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাঁই ধুলিয়াখাল-মিরপুর সড়কে দুর্ঘটনায় যুবক নিহত আশুগঞ্জে ভারতীয় চোরাই শাড়িসহ চুনারুঘাটের দুই যুবক গ্রেফতার নবীগঞ্জের পরিচিত মুখ মারুফ মিয়া আর নেই চুনারুঘাটে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে জশনে জুলুশে ঈদে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী ও বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস মাধবপুরে র‌্যাবের অভিযান ॥ বিপুল পরিমান এসকাফসহ নারী আটক

খোশ আমদেদ মাহে রমজান

  • আপডেট টাইম বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০২৪
  • ১৯৪ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আজ দোসরা রমজান। রমজান মাস সিয়ামের মাস। সিয়াম পালনকারীকে বলা হয় সায়িম। ফারসীতে সিয়ামকে বলা হয় রোজা এবং সিয়াম পালনকারীকে বলা হয় রোজাদার। রমজানের সিয়াম ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভের অন্যতম। এই সিয়াম পালনের মাধ্যমে যে তাকওয়ার প্রত্যক্ষ প্রশিক্ষণ লাভ হয় তা সায়িমকে আধ্যাত্মিক উন্নতির সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করায়। ৬২৪ খৃস্টাব্দের মধ্য মুতাবিক দ্বিতীয় হিজরীর মধ্য শা’বানে সিয়ামের বিধান দিয়ে আল্লাহ জাল্লা শানুহু ইরশাদ করেন: ওহে তোমরা যারা ঈমান এনেছো! তোমাদেরকে সিয়াম বিধান দেয়া হলো, যেমন বিধান দেয়া হয়েছিলো তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো (সূরা বাকারা: আয়াত ১৮৩)। যারা তাকওয়া অর্জন করে তাদেরকে বলা হয় মুত্তাকী। মুত্তাকীদের সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছে: আল্লাহ মুত্তাকীদের বন্ধু (সূরা জাছিয়া: আয়াত ১৯)। আল্লাহ মুত্তাকীদের ভালোবাসেন (সূরা আল ইমরান: আয়াত ৭৬)। মুত্তাকীদের জন্য রয়েছে উৎকৃষ্ট আবাস (সূরা সদ: আয়াত ৪৯)।
সুবিহ্ সাদিক হওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত সাহরী করা যায়। একটু পানি সিয়ামের উদ্দেশ্যে পান করলেও সাহ্রীর সাওয়াব অর্জিত হয়। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ সাহ্রী খাও, নিশ্চয়ই সাহ্রীতে রয়েছে বরকত (প্রাচুর্য)। সিয়াম রেখে সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে কিছু খেয়ে বা পান করে সিয়াম ভাঙ্গার নাম ইফতার। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- মানুষ যতোদিন ত্বরিত (অর্থাৎ সময় হওয়া মাত্র) ইফতার করবে ততোদিন তারা কল্যাণের উপর থাকবে। হাদীসে আছে যে, কেউ কোনো সায়িমকে ইফতার করালে সে সেই সায়িমের সমপরিমাণ পুরস্কার পাবে। এতে সায়িমের পুরস্কার বিন্দুমাত্র কমে যাবে না।
শরী’আতের দৃষ্টিতে প্রাপ্ত বয়স্ক (বালিগ), সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী (আকিল) এবং শারীরিকভাবে সুস্থ (কাদির) নর-নারীর জন্য রমাদানে সিয়াম পালন করা ফরয। নারীদের মাসিককালীন দিনগুলোতে এবং সন্তান প্রসবজনিত বিশেষ অপবিত্র অবস্থার দিনগুলোতে এটা তাৎক্ষণিকভাবে বর্তায় না। মুসাফির, পীড়িত এবং সাতিশয় বৃদ্ধ-বৃদ্ধার জন্য সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com