নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ নবীগঞ্জে বলদি বিল নিয়ে দু’পক্ষের লোকদের মাঝে বিরোধ দেখা দেয়। গত ৫ আগস্ট শাহাজালাল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি বিলটি সরকার কাছ থেকে লীজ গ্রহন করে দখল পায়। গতকাল মঙ্গলবার সকালে শাহাজালাল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি পক্ষে বিলের বাগিদার পৌর এলাকার রাজনগর গ্রামের ওয়াতির উল্ল্যাহর পুত্র নুরুল আমিন তার লোকজন নিয়ে মাছ ও কাটা নিয়ে বিলে যাওয়ার জন্য রওনা দেন। পথিমধ্যে বিলের পাড়ে অলিউর রহমান, আব্দুস ছোবান, প্রানেশ দেব, ইসমত আলী, বারিক মিয়া গংরা মিলে বিলে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এলোপাতারি হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীদের হামলায় নুরুল আমিন পক্ষের ১০ লোক আহত হন। গুরুতর কবির মিয়াকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়। অন্যান্য আহতের নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এ ঘটনায় নুরুল আমিন বাদী হয়ে ২৩ জনকে আসামী করে নবীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শাহাজালাল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ বলদি বিলটি সরকারী বাহাদুর এর নিকট থেকে ৩ বছরের জন্য বিলটি লীজ গ্রহন করে চুক্তি সম্পাদন করে। গত ৮ আগস্ট খাজনা প্রদান করে পর সরকারের পক্ষ থেকে নবীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি উত্তম কুমার দাশ বিলটি দখল পজিশন বুঝিয়ে দেয়। দখল পাওয়ার পর সমিতির পক্ষে তাদের বাগিদার নুরুল আমিন পোনা ও দল কাটা নিয়ে বিলে যান। এ সময় বিলের একদল দুর্বত্তরা বিল না পাওয়ার জের ধরে তাদের উপর হামলা করে। হামলায় মৃত আখিল মিয়ার পুত্র কবির মিয়া (২৮), রাজাবাদ গ্রামের মৃত আঞ্জব মিয়া (৪০), আশাই মিয়ার পুত্র জুয়েল মিয়া (৩২), নজির মিয়ার পুত্র মনির মিয়া (৩০), গহরপুর গ্রামের মৃত মকরু মিয়ার পুত্র চানু মিয়া (৩৫) আহত হন। আহতের নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। হামলার ঘটনায় খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। হামলার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে নুরুল আমিন বাদী হয়ে ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে নবীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।